২০২৭ সাল থেকেই শুরু হচ্ছে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম

Sep 7, 2026 - 19:36
Sep 7, 2026 - 19:36
 0  8
২০২৭ সাল থেকেই শুরু হচ্ছে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম

আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ইসরাফিল শাহীন জানিয়েছেন , প্রাথমিকভাবে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ছয়টি বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

 আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের আগে তিনি এসব তথ্য জানান।

উপাচার্য প্রফেসর ইসরাফিল শাহীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী বছর থেকেই পাঠদান শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ছয়টি বিভাগ চালুর অনুমোদন আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও শহরে একটি অস্থায়ী ক্যাম্পাস পরিচালনা করা হবে। ওই ক্যাম্পাস থেকেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হবে।

এদিকে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে তাঁর প্রথম সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার সকাল ১১টার দিকে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।

স্থাপনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা। এবং ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের জন্যও উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।