চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল নাসা, ধেয়ে আসছে ‘বিপজ্জনক গ্রহাণু’

Jul 25, 2026 - 18:56
 0  18
চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল নাসা, ধেয়ে আসছে ‘বিপজ্জনক গ্রহাণু’
ছবি:সংগৃহীত

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে ‘গড অব ক্যাওস’ নামে পরিচিত একটি গ্রহাণু। এটি আগামী ৩ বছরের মধ্যে পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করবে। এতে করে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা কাছ থেকে এই বিশাল মহাজাগতিক বস্তুটি পর্যবেক্ষণের বিরল সুযোগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অ্যাপোফিস নামের এই গ্রহাণুটি প্রাচীন মিসরীয় ‘গড অব ক্যাওস’ নামে পরিচিত দেবতার নাম অনুসারে নামকরণ করা হয়েছে। এটি ২০২৯ সালের ১৩ এপ্রিল পৃথিবীর পাশ দিয়ে দ্রুতগতিতে অতিক্রম করবে।

নাসা জানিয়েছে, গ্রহাণুটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ হাজার মাইল দূর দিয়ে যাবে। এটি অনেক কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের থেকেও কাছাকাছি অবস্থান। তুলনামূলকভাবে সর্বোচ্চ উচ্চতায় থাকা স্যাটেলাইটগুলো প্রায় ২২ হাজার মাইল দূরে অবস্থান করে। যদিও বিজ্ঞানীরা অ্যপোফিসকে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক গ্রহাণু’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন। তবুও নাসা আশ্বস্ত করেছে যে ২০২৯ সালে অতিক্রমণের সময় পৃথিবীর জন্য কোনো হুমকি থাকবে না।

দীর্ঘদিন ধরে পর্যবেক্ষণের পর বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অন্তত আগামী ১০০ বছর এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করবে না। নাসা জানিয়েছে, পৃথিবী, এর বাসিন্দা, মহাকাশচারী কিংবা কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইট কোনো কিছুর জন্যই এর কোনো বিপদ নেই।

বিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে ‘অসাধারণ এবং নজিরবিহীন সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর মাধ্যমে গ্রহাণুটি এবং পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা অন্যান্য গ্রহাণু সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

নাসা জানিয়েছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পূর্ব গোলার্ধের বাসিন্দারা খালি চোখেই এই গ্রহাণুটি দেখতে পারবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

গবেষণা Vision: বাংলা ভাষায় গবেষণা, ডেটা জার্নালিজম, জননীতি বিশ্লেষণ এবং জনবুদ্ধিমত্তা (Public Intelligence)-এর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Media-Based Think Tank হওয়া; যা সরকার, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নয়ন অংশীদার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় জ্ঞানভান্ডার ও নীতিগত রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: গবেষণা, ডেটা, জরিপ, নীতি বিশ্লেষণ, প্রমাণভিত্তিক সাংবাদিকতা এবং বহুমাত্রিক তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য জ্ঞান উৎপাদন করা; যাতে জটিল জাতীয় ও বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গভীরভাবে বোঝা যায় এবং তথ্যসমৃদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা যায়।