আম্পায়ারের সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে জরিমানা

Oct 29, 2026 - 13:33
 0  0
আম্পায়ারের সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে জরিমানা
ছবি:সংগৃহীত

বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ ও প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে শাস্তির মুখে পড়লেন পাকিস্তানের পেসার হারিস রউফ। আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে তাকে ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ জরিমানা এবং একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে গত ২৫ অক্টোবর পাকিস্তান-ইংল্যান্ড ম্যাচে এ ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানের ইনিংসের ৪৬তম ওভারের শেষ বলে শাদাব খানের বিপক্ষে স্যাম কারানের একটি শর্ট ডেলিভারিতে ওয়াইডের দাবি তোলেন নন-স্ট্রাইকে থাকা রউফ। আম্পায়ার সৈকত সংকেত না দেওয়ায় রউফ ক্ষুব্ধ হন এবং মিড-অনে থাকা ইংলিশ ফিল্ডার উইল জ্যাকসের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে করতে এগিয়ে যান। আম্পায়ার সৈকত থামানোর চেষ্টা করলেও দুই ক্রিকেটারের মধ্যে তর্কযুদ্ধ শুরু হয়। পরে জো রুটের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

আইসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আচরণবিধির ২.২০ ধারা অনুযায়ী ‘খেলার চেতনার পরিপন্থী আচরণ’ করার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন রউফ। ম্যাচ রেফারিদের আনা অভিযোগ রউফ মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। গত ১৪ মাসের মধ্যে এটি পাকিস্তানি এই পেসারের পঞ্চম ডিমেরিট পয়েন্ট। আগামী বছরের ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তিনি আরও তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট পেলে ২৪ মাসের হিসেবে আট পয়েন্ট পূর্ণ হয়ে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বেন।

একই ম্যাচে মন্থর ওভাররেটের কারণে ইংল্যান্ড দলকেও জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন ওভার পিছিয়ে থাকায় দলটির প্রতিটি খেলোয়াড়কে ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়, যা অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক মেনে নিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।