স্মৃতির পাতায় অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার এ টি এম শামসুজ্জামান

Sep 10, 2026 - 18:35
Sep 10, 2026 - 18:36
 0  9
স্মৃতির পাতায় অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার এ টি এম শামসুজ্জামান
বাংলা সিনেমা ইতিহাসে কিছু মুখ সময় পেরিয়েও দর্শকের স্মৃতি থেকে মুছে যায় না। খলনায়ক, কৌতুক অভিনেতা কিংবা পার্শ্বচরিত্রের এক অবিস্মরণীয় নাম এটিএম শামসুজ্জামান। চরিত্রের বৈচিত্র্য, অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন আর সংলাপ উপস্থাপনের নিজস্ব ভঙ্গিতে অভিনয়গুণে সেটিকে করে তুলেছেন আলাদা। আজ ১০ সেপ্টেম্বর এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে ফিরে দেখা যায় তার দীর্ঘ ও বর্ণিল চলচ্চিত্রজীবন।
 
 
১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, যিনি এটিএম শামসুজ্জামান নামে সর্বাধিক পরিচিত। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি। ঢাকায় তাদের বসবাস ছিল দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে। তার বাবা নূরুজ্জামান ছিলেন খ্যাতনামা উকিল এবং শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। মা নুরুন্নেসা বেগম। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন এটিএম শামসুজ্জামান।
 
চলচ্চিত্রে এটিএম শামসুজ্জামানের পথচলা শুরু হয় ১৯৬৫ সালে ‘নয়া জিন্দগানী’ ছবির মাধ্যমে। তিনি শুধু অভিনেতা নন, একজন দক্ষ কাহিনিকার ও চিত্রনাট্যকার হিসেবেও নিজের অবস্থান তৈরি করেন এটিএম শামসুজ্জামান। ১৯৭১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখেন তিনি। নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ছবিটির মাধ্যমেই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় অভিনেতা ফারুকের।
 
স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত ‘ওরা ১১ জন’ এবং জীবনীভিত্তিক ‘লালন ফকির’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন তিনি। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। খলনায়কের পাশাপাশি কৌতুক অভিনেতা হিসেবেও দর্শকের মনে জায়গা করে নেন এটিএম শামসুজ্জামান। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।