ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৯ মার্কিন যুদ্ধবিমান

Sep 10, 2026 - 18:28
Sep 10, 2026 - 18:37
 0  9
ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৯ মার্কিন যুদ্ধবিমান

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর  ৯ মার্কিন যুদ্ধবিমান যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে  সিবিএস নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সেনা মারা গেছে কিনা, জানা যায়নি।


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে বুধবার ভোরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়।


হামলায় একটি A-10 Thunderbolt গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিমানটির একটি ডানা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে সূত্রের বরাতে জানিয়েছে সিবিএস।

এ ছাড়া প্রায় আটটি F-15 যুদ্ধবিমান সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এসব বিমান পরে আবারও ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনা এখনও স্বীকার করেনি বা এ বিষয়ে কোনো ব্যাখা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে হামলা প্রতিহত করতে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী ৩০টির বেশি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এই হামলা চালানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের হাতে পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংসের পর। এর আগে ইরান একটি মার্কিন নৌযান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল বলে ওয়াশিংটন দাবি করে। এরপর পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকারগুলোতে হামলা চালায়।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পরে জর্ডানে থাকা মার্কিন ঘাঁটিসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করে।

তবে জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় ছোড়া ২০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৮টি তারা ভূপাতিত করেছে এবং বাকি দুটি জনবসতিহীন এলাকায় পড়ে।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানায়, ইরানি তেল ট্যাংকারগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতে তেহরান পুরো পশ্চিম এশিয়াজুড়ে মার্কিন সম্পদগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান আছে। এই ঘাঁটিটি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে মার্কিন বিমান শক্তির একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।