দুর্গাপূজায় পর্দায় বদলাবে ঘরের সাজ
দুর্গাপূজার আগে ঘরের সাজে আনতে চান নতুনত্ব? নতুন আসবাব বা বড় কোনো পরিবর্তন নয়, পছন্দের পর্দা বদলেই অন্দরমহলে যোগ হতে পারে উৎসবের আমেজ।
পর্দা এখন শুধু ঘর আড়াল করার উপকরণ নয়, অন্দরসজ্জারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ঘরে আলো কতটা ঢুকবে, ব্যক্তিগত পরিসর কেমন থাকবে কিংবা ঘরের পরিবেশ কেমন দেখাবে—এসবের ওপর পর্দার রং, কাপড় ও নকশার প্রভাব রয়েছে।
আলো কম হলে হালকা পর্দা
যেসব ঘরে প্রাকৃতিক আলো কম ঢোকে, সেখানে পাতলা ও অর্ধস্বচ্ছ পর্দা বেছে নিতে পারেন। শিফনের মতো হালকা কাপড়ের পর্দা আলো প্রবেশে বাধা কম দেয়। শরতের আবহে ফুলের নকশা করা শিফনের পর্দা ঘরে আনতে পারে নরম ও পরিপাটি ভাব।
রোদ ও গোপনীয়তার জন্য ভারী পর্দা
ঘরে অতিরিক্ত আলো বা তাপ ঢোকে, কিংবা ব্যক্তিগত পরিসর বজায় রাখা প্রয়োজন হলে ভারী পর্দা ভালো পছন্দ হতে পারে। শোবার ঘর, শিশুর ঘর বা রাস্তার পাশের কক্ষেও এ ধরনের পর্দা ব্যবহার করা যায়।
হালকা ক্রিম বা বেইজ দেয়ালের সঙ্গে চারকোল ধূসর, নস্যি বা গাঢ় নীল পর্দা মানাতে পারে। আবার দেয়াল গাঢ় হলে ক্রিম বা হালকা ধূসর পর্দা ঘরের সাজে ভারসাম্য আনবে।
আধুনিক ঘরে জ্যামিতিক নকশা
আধুনিক অন্দরসজ্জায় গোল, ত্রিভুজ, আয়তক্ষেত্র বা বিভিন্ন রেখার জ্যামিতিক নকশার পর্দা বেশ মানানসই। সাটিনের মতো মসৃণ কাপড়ের ওপর ছাপা নকশা আধুনিক আসবাবের সঙ্গে ভালো যায়। ঘর উজ্জ্বল দেখাতে সাদা বা হালকা রঙের পর্দাও বেছে নেওয়া যেতে পারে।
স্বাভাবিক আবহে সুতির পর্দা
আরামদায়ক ও ঘরোয়া পরিবেশ চাইলে সুতির পর্দা হতে পারে ভালো পছন্দ। এর সঙ্গে লেসের কাজ থাকলে সাধারণ পর্দাতেও বাড়তি সৌন্দর্য যোগ হয়। তবে পর্দার রং অবশ্যই দেয়াল ও আসবাবের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া ভালো।
ফুলের নকশায় উৎসবের ছোঁয়া
ফুলের নকশার পর্দার আবেদনও সহজে পুরোনো হয় না। সুতি বা শিফনের ওপর ফুলের ছাপ ছিমছাম ঘরকে যেমন আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে, তেমনি জমকালো আসবাবের মাঝেও ভারসাম্য তৈরি করে। ঘরে আগে থেকেই বেশি নকশা থাকলে হালকা ও অর্ধস্বচ্ছ পর্দা বেছে নেওয়াই ভালো।
দুর্গাপূজার আগে ঘরের সাজে পরিবর্তন আনতে পর্দা বদল হতে পারে সহজ ও কার্যকর উপায়। ঘরের আলো, আকার, দেয়ালের রং ও আসবাবের সঙ্গে মিলিয়ে পর্দা বেছে নিলেই অন্দরমহলে আসতে পারে নতুন উৎসবের আবহ।
What's Your Reaction?