পাকিস্তানি ক্রিকেটারের পাশেও ছিলেন নানা পাটেকর

Oct 11, 2026 - 09:59
 0  2
পাকিস্তানি ক্রিকেটারের পাশেও ছিলেন নানা পাটেকর
বলিউড অভিনেতা নানা পাটেকরের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার বাসিত আলীর। দুই দেশের সীমান্ত পেরিয়ে গড়ে ওঠা সেই বন্ধুত্বের স্মৃতি এবার সামনে আনলেন বাসিত। মায়ের অসুস্থতা থেকে মৃত্যু- জীবনের কঠিন সময়ে কীভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন নানা, সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে আবেগপ্রবণ হন তিনি।
 
বাসিত বলেন, ১৯৯৪ সালে নানা পাটেকরের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে তাদের যোগাযোগ ছিল। ভিন্ন দেশ ও ভিন্ন পেশার মানুষ হলেও বন্ধুত্বে দূরত্ব তৈরি হয়নি। মাসে এক-দুবার ফোনে কথা হতো তাদের।
 
বাসিতের ভাষ্য, তার মা হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় নিয়মিত খোঁজ নিতেন নানা। মায়ের মৃত্যুর পরও বন্ধুকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন এই অভিনেতা। কঠিন সময়ে নিজের যত্ন নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন। নানার সেই আন্তরিকতা আজও ভুলতে পারেননি বাসিত।
 
পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার জানান, শুধু মায়ের অসুস্থতা কিংবা মৃত্যুর সময়ই নয়, হৃদ্‌যন্ত্রের চিকিৎসার পরও তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতেন নানা। বন্ধুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেন। বাসিতের কাছে নানা তাই শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং কঠিন সময়ে পাশে থাকা একজন আপন মানুষ।
 
তার এই স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে অভিনেতার মানবিক দিক, যা পর্দার বাইরেও মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিল।
 
উল্লেখ্য, নানা পটেকরের প্রয়াণে চলচ্চিত্রজগতের বহু মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন। তার অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নানা স্মৃতিও ভাগ করে নিচ্ছেন পরিচিতজন ও অনুরাগীরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।