শিঙাড়া বিতরণকে কেন্দ্র করে বেধড়ক পিটুনি

Aug 15, 2026 - 17:21
 0  11
শিঙাড়া বিতরণকে কেন্দ্র করে বেধড়ক পিটুনি

ঢাকার ধানমন্ডি-৩২ নম্বর এলাকায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া, মোবাইলে ভিডিও ধারণ এবং শিঙাড়া বিতরণকে কেন্দ্র করে তিন জনকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।তাৎক্ষণিকভাবে মারধরের শিকার ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে সড়কের প্রবেশমুখে এ মারধরের ঘটনা ঘটে। 

রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ (এসডিএফ) নামে একটি সংগঠনের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদেরকে মারধর করেন। তারা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

জানা যায়, ‍দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে প্রবেশ সড়কের মুখে একজন রিকশা চালক তার মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। একপর্যায়ে আয়াস ওই রিকশা চালকের কাছে যান এবং তার ফোন চেক করেন। পরে ভিডিওটি যুবলীগের একজনকে পাঠিয়েছেন এমন অভিযোগ তুলে মব সৃষ্টি করা হয়। এসময় তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা ওই রিকশা চালককে মারধর করেন। পরে পুলিশ এসে ওই রিকশাচালককে আটক করে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে যায়।

রিকশাচালককে মারধরের সময় সেখানে থাকা আরেক ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। পরে তাকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে দৌড়ে পালিয়ে যান ওই ব্যক্তি।

দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিঙাড়া বিলি করছেন—এমন অভিযোগ এনে আরেক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। এ সময় ওই ব্যক্তির হাতে একটি ব্যাগ দেখা গেছে। ভেতরে শিঙাড়া ছিল। মারধরের এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তিও দৌড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

আ ন ম আয়াস সাংবাদিকদের বলেন, নিষিদ্ধ (কার্যক্রম) সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগের নেতা–কর্মীরা যাতে কোনো অপতৎপরতা করতে না পারে, সে জন্য তারা অবস্থান করছেন। কাউকে পেলে পুলিশের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

মব সৃষ্টি করে কাউকে মারধর করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আয়াস বলেন, তিনি মব সৃষ্টি করছেন না। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ পেলে ধরে শুধু পুলিশের কাছে সোপর্দ করছেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে আয়াস সেখান থেকে চলে যান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।