মেসির খারাপ সময়ে ইন্টার মায়ামির হার

Aug 16, 2026 - 18:25
 0  8
মেসির খারাপ সময়ে ইন্টার মায়ামির হার

কিছুদিন আগেই মেসির বাবা মারা গেছেন। যিনি ছিলেন মেসির সফলতার পিছনে অন্যতম কারিগর। সেই কারিগর মারা যাওয়ার পর যেন মেসি ভেঙ্গে পড়েছেন। নিজেকে দূরে রেখেছেন সবকিছু থেকে। তারই যেন খেসারত দিচ্ছেন ইন্টার মায়ামি।

আবারও হারল ইন্টার মায়ামি। লিগস কাপ থেকে বিদায়ের পর এবার এমএলএসে ন্যাশভিলের কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে লিওনেল মেসির দল।

এই ম্যাচে জিতলে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠত মায়ামি। তবে বড় হারে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের সঙ্গে তাদের পয়েন্টের পার্থক্য এখন ৫।

এ নিয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে হারল ইন্টার মায়ামি। এর আগে মেক্সিকান ক্লাব মনতেরেরির কাছে ২-১ এবং লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হেরেছিল তারা। আগের দুই ম্যাচের মতো ন্যাশভিলের বিপক্ষে ম্যাচে চোখেও পড়েছে মায়ামির রক্ষণভাগের সমন্বয়হীনতা।

ঘরের মাঠে আজ ম্যাচের ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় ন্যাশভিল, গোল করেন অ্যান্ডি নাজার। কিছুক্ষণ পর সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পায় মায়ামি। ২৩ মিনিটে পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু মেসির নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়াকে।

জোড়া গোল করেছেন মোখতার

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে অবশ্য সমতায় ফেরে মায়ামি। মেসির নিখুঁত পাস থেকে গোল করেন তেলাসকো সেগোভিয়া। ডান পায়ে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান ভেনেজুয়েলার এই মিডফিল্ডার।

তবে বিরতির পর পুরোপুরি বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১১ মিনিটেই দুই গোল করে ন্যাশভিল। ৪৯ মিনিটে গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন হানান মোখতার।

এরপর ৫৭ মিনিটে স্যাম সারিজ গোল করে ব্যবধান বাড়ান। ৬৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের জয় আরও নিশ্চিত করেন মোখতার। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এমএলএসের শীর্ষ দলটি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।