ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ দেখিয়েছিল ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাক রায়ান’

Jan 6, 2026 - 22:34
Sep 4, 2026 - 02:44
 0  31
ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ দেখিয়েছিল ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাক রায়ান’

বিনোদন ডেস্ক 

জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাক রায়ান’ এর একটি দৃশ্য এখন নেটদুনিয়ায় আলোচনায়; যাকে ‘আগাম বাণী’ বা ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ হিসেবে উল্লেখ করছেন দর্শক-নেটিজেনরা। 

মূলত, ২০১৯ সালে অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে প্রকাশ পায় ‘জ্যাক রায়ান’-এর দ্বিতীয় সিজন। যেখানে জন ক্রাসিনস্কি অভিনীত নাম ভূমিকার চরিত্রটি একদল সিআইএ কর্মকর্তার কাছে প্রশ্ন ছোড়েন। সেটি ছিল- ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি কোনটি বলে আপনারা মনে করেন?’ একজন উত্তর দেন, ‘নিশ্চিতভাবেই রাশিয়া।’ এরপর জ্যাক রায়ান প্রশ্ন করেন, ‘আর কে?’ উত্তরে চীনের কথাও আসে। প্রত্যুত্তরে জ্যাক রায়ান উত্তর দেন- ‘এটাও ভালো উত্তর’। 

এরপর কাল্পনিক সিআইএ বিশ্লেষক চরিত্র জ্যাক রায়ানের বক্তব্য, ভেনেজুয়েলাকে নিয়ে কেউ ভেবেছেন? ভেনেজুয়েলাই হতে পারে বিশ্বের অন্যতম বড় রাজনৈতিক সংকট। কারণ, সৌদি আরব বা ইরানের চেয়েও বেশি তেল এবং আফ্রিকার সব খনি মিলিয়ে যত স্বর্ণ আছে, তার চেয়েও বেশি খনিজ ভেনেজুয়েলায়।

সিরিজটিতে জ্যাক রায়ান আরও বলেছিলেন, এত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলা একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে যাচ্ছে। তিনি আরও ভেনেজুয়েলা আমেরিকার খুব কাছে হওয়ায় এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করেন। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ এবং ‘এখন থেকে আমেরিকা ভেনেজুয়েলা চালাবে’ এমন বক্তব্যের পর দর্শক মহলও আবাক! কারণ সিরিজের গল্পটি ৬ বছর পর হুবহু মিলে গেছে।

সিরিজের সহ-নির্মাতা কার্লটন কিউস এই কাকতালীয় ঘটনায় নিজেও কিছুটা অবাক। তিনি জানান, তাদের লক্ষ্য ছিল একটি বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক থ্রিলার তৈরি করা, কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা নয়। তবে বাস্তব ভূ-রাজনীতি অনেক সময় ফিকশনকেও হার মানায়।

সূত্র : পিপল

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।