তালের মিষ্টি ঘ্রাণে বানিয়ে নিন সেমাই

Sep 14, 2026 - 20:33
 0  7
তালের মিষ্টি ঘ্রাণে বানিয়ে নিন সেমাই

শরতের সময় পাকা তালের মিষ্টি ঘ্রাণে মন ভরে যায়। তাল দিয়ে বড়া, পিঠা কিংবা পায়েস তো অনেকেই খেয়েছেন। তবে এই পরিচিত ফল দিয়েই যদি তৈরি করা যায় ভিন্ন স্বাদের সেমাই, তাহলে কেমন হয়? সহজ কিছু উপকরণে ঘরেই তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু তালের সেমাই।

তালের সেমাই তৈরিতে যা লাগবে

◑সেমাই – ১ প্যাকেট

◑পাকা তালের রস – ১ কাপ

◑দুধ – ১ লিটার

◑চিনি – স্বাদ অনুযায়ী

◑কনডেন্সড মিল্ক – ২ টেবিল চামচ

◑এলাচ – ২-৩টি

◑দারুচিনি – ১ টুকরা

◑ঘি – ১ টেবিল চামচ

◑কাজু ও কিশমিশ – পরিমাণমতো

◑লবণ – এক চিমটি

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে একটি প্যানে ঘি গরম করে তাতে সেমাই দিয়ে হালকা করে ভেজে নিন। সেমাইয়ের রং যেন বেশি গাঢ় না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

অন্য একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিয়ে কিছুটা ঘন করে নিন। এরপর এতে এলাচ ও দারুচিনি দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। এবার চিনি ও কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

এরপর ভেজে রাখা সেমাই দুধের মধ্যে দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে কয়েক মিনিট রান্না করুন, যাতে সেমাই ভালোভাবে সিদ্ধ হয়।

সেমাই সিদ্ধ হয়ে এলে চুলার আঁচ কমিয়ে পাকা তালের রস দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তালের রস দেওয়ার পর বেশি সময় ধরে জ্বাল দেবেন না। এতে তালের স্বাদ ও ঘ্রাণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সবশেষে কাজু ও কিশমিশ ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে পরিবেশন করলে তালের মিষ্টি স্বাদ ও ঘ্রাণ আরও ভালোভাবে পাওয়া যাবে।

পরিচিত সেমাইয়ে তালের স্বাদ যোগ করে সহজেই তৈরি করা যায় ভিন্নধর্মী এই মিষ্টি খাবার। শরতের বিকেলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে খেতে পারেন মজার এই তালের সেমাই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

লাইফ স্টাইল Vision: বাংলা ভাষায় স্বাস্থ্যকর জীবন, মানসিক সুস্থতা, পরিবার, কর্মজীবন, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং জীবনমান সম্পর্কিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী Human Development Platform হওয়া; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ভ্রমণ, পরিবার, ক্যারিয়ার, ফ্যাশন, খাদ্য, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশেষজ্ঞ মতামত, গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা মানুষকে আরও সচেতন, সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে।