টমেটোতেই হবে ত্বকের যত্ন, জেনে নিন ৪ উপায়

Sep 4, 2026 - 16:53
 0  8
টমেটোতেই হবে ত্বকের যত্ন, জেনে নিন ৪ উপায়

পূজার আগে ত্বকে বাড়তি জেল্লা আনতে পার্লারে গিয়ে দামি ফেশিয়াল করানোর কথা ভাবছেন? তার আগে একবার চোখ রাখুন রান্নাঘরের দিকেও। প্রতিদিনের খাবারে ব্যবহৃত টমেটো দিয়েই ঘরে বসে করা যায় সহজ কিছু রূপচর্চা। এতে থাকা লাইকোপেন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের যত্নে সহায়ক হতে পারে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে ব্যবহারের আগে অবশ্যই সতর্ক থাকা জরুরি।

১. টমেটো-মধুর প্যাক

দুই টেবিল চামচ টমেটোর ক্বাথের সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বককে নরম ও আর্দ্র রাখতে সহায়তা করতে পারে।

২. টমেটোর রস

টমেটোর রস ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্তভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে। একটি টমেটোর টুকরো নিয়ে আলতোভাবে মুখে ঘষে রস লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

তবে টমেটোর রস সবার ত্বকে একইভাবে মানানসই নাও হতে পারে। জ্বালা, চুলকানি বা লালভাব দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ব্যবহার বন্ধ করুন।

৩. অ্যালোভেরা ও টমেটো

এক টেবিল চামচ টমেটো পিউরির সঙ্গে এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার মুখে লাগিয়ে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

৪. টমেটো ও মুলতানি মাটি

টমেটোর শাঁসের সঙ্গে দুই চা চামচ মুলতানি মাটি ও এক চা চামচ পুদিনাপাতা বাটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। মুখে পাতলা করে লাগিয়ে শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

এই প্যাক ব্যবহারের আগে নিজের ত্বকের ধরন বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকে মুলতানি মাটি অতিরিক্ত শুষ্কতা তৈরি করতে পারে।

ঘরোয়া উপাদান দিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া সহজ ও সাশ্রয়ী হলেও এগুলোকে কোনো নির্দিষ্ট ত্বকের সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে দেখা ঠিক নয়। টমেটো ব্যবহারের আগে হাতে বা ত্বকের ছোট একটি অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো। আর ত্বকে দীর্ঘস্থায়ী ব্রণ, দাগ বা অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে ঘরোয়া প্যাকের বদলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

লাইফ স্টাইল Vision: বাংলা ভাষায় স্বাস্থ্যকর জীবন, মানসিক সুস্থতা, পরিবার, কর্মজীবন, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং জীবনমান সম্পর্কিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী Human Development Platform হওয়া; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ভ্রমণ, পরিবার, ক্যারিয়ার, ফ্যাশন, খাদ্য, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশেষজ্ঞ মতামত, গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা মানুষকে আরও সচেতন, সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে।