চুলের কারণে ২ লাল কার্ড দেখলেন দুই ফুটবলার

Sep 29, 2026 - 12:30
 0  3
চুলের কারণে ২ লাল কার্ড দেখলেন দুই ফুটবলার
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল মাঠে ট্যাকল, ফাউল কিংবা হাতাহাতির কারণে লাল কার্ড দেখা নিয়মিত ঘটনা। তবে প্রতিপক্ষ ফুটবলারের চুল ধরে টান দেওয়ার অপরাধে পরপর দুই খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার ঘটনা সম্ভবত ইতিহাসেই প্রথম এমন ঘটনা আর কখনো ঘটেছে কেউ কখনো দেখেছে কিনা সেটিও কল্পনা করার মতো একটি বিষয় ! তবে অদ্ভুত এই কাণ্ডের দেখা মিলল কনকাকাফ নেশন্স লিগে অ্যানগুইলা ও অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডার মধ্যকার ম্যাচে।

ম্যাচে তখন ৫-০ ব্যবধানে পিছিয়ে অ্যানগুইলা। হার যখন সময়ের ব্যাপার মাত্র, ঠিক তখনই ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন অ্যানগুইলার মিডফিল্ডার এইডান সিপিও। আর মাঠে নেমেই নিজের লম্বা চুলের সুবাদে পুরো খেলার মোড় এক নিমেষে ঘুরিয়ে দেন তিনি।

সিপিওর মাথার ড্রেডলক স্টাইলের লম্বা চুল এতটাই দীর্ঘ যে তা প্রায় তার গোড়ালি পর্যন্ত পৌঁছে যায়! মাঠে খেলার সুবিধার্থে সাধারণত চুলগুলো কোমর দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে রাখেন তিনি।

কিন্তু মাঠে নামার মাত্র ৩ মিনিটের মাথায় বিপত্তি ঘটান অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডার ফুটবলার কেওন গ্রিন। পেছনে থেকে সিমিওর ঝুলন্ত চুল ধরে টান মেরে বসেন তিনি। বিষয়টি রেফারি সরাসরি প্রত্যক্ষ করায় কোনো দ্বিধা ছাড়াই গ্রিনকে ডিরেক্ট লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন।
বিস্ময়ের তখনও বাকি ছিল! সতীর্থের এমন কাণ্ডে শিক্ষা না নিয়ে অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডার আরও এক খেলোয়াড় একইভাবে সিমিওর চুল ধরে টান দেন।

ফলাফল হিসেবে রেফারি তাকেও তাৎক্ষণিক লাল কার্ড দেখিয়ে ড্রেসিংরুমে পাঠান। ৩ মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুটি লাল কার্ড পেয়ে ৯ জনের দলে পরিণত হয় অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বার্বুডা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।