কমলার মতো দেখতে সুজির অরেঞ্জ লাড্ডু

Sep 11, 2026 - 17:29
 0  7
কমলার মতো দেখতে সুজির অরেঞ্জ লাড্ডু

সুজির হালুয়া বা পায়েস তো অনেকবারই খেয়েছেন। এবার সুজি আর তাজা কমলার রস দিয়ে তৈরি করতে পারেন একেবারে ভিন্ন স্বাদের অরেঞ্জ লাড্ডু। দেখতে ছোট ছোট কমলার মতো, আর স্বাদে মিষ্টির সঙ্গে থাকবে কমলার হালকা টক-মিষ্টি ঘ্রাণ। অতিথি আপ্যায়ন কিংবা পরিবারের মিষ্টিমুখ—দুই ক্ষেত্রেই হতে পারে দারুণ আয়োজন।

উপকরণ

সুজি — ২ কাপ

ঘি — আধা কাপ

ঘন তরল দুধ — ২ কাপ

কমলা বা মালটার রস — ১ কাপ

অরেঞ্জ ফুড কালার — পরিমাণমতো

গুঁড়া দুধ — স্বাদমতো

এলাচ গুঁড়া — ১ চিমটি

লবণ — স্বাদমতো

সাজানোর জন্য এলাচ ও লবঙ্গ

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে কড়াইয়ে সামান্য ঘি দিয়ে হালকা আঁচে সুজি ভালোভাবে ভেজে নিন। অন্যদিকে জ্বাল দিয়ে কিছুটা ঘন করে রাখা দুধে অল্প অরেঞ্জ ফুড কালার মিশিয়ে নিন।

এবার রং মেশানো দুধ ভাজা সুজির মধ্যে ঢেলে অনবরত নাড়তে থাকুন। সুজি যখন দুধ শুষে নিয়ে ঘন হয়ে আসবে, তখন এতে তাজা কমলার রস দিয়ে ভালোভাবে মেশান। মিশ্রণটি শুকিয়ে এলে চুলা বন্ধ করার আগে সামান্য ঘি ও গুঁড়া দুধ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নিন।

এরপর চুলা থেকে নামিয়ে মিশ্রণটি কিছুটা ঠান্ডা হতে দিন। হাতে ধরার মতো হালকা গরম থাকতেই অল্প অল্প করে নিয়ে গোল করে লাড্ডু বানিয়ে নিন।

কমলার মতো সাজাবেন যেভাবে

লাড্ডুগুলো হাতের তালুতে নিয়ে সামান্য চাপ দিয়ে কমলার মতো আকৃতি দিন। এরপর একটি এলাচ চিরে দানা বের করে শুধু খোসাটি লাড্ডুর ওপরে পাতার মতো বসিয়ে দিন। সবশেষে একটি লবঙ্গ গুঁজে দিলেই তৈরি হবে কমলার বোঁটার মতো অংশ।

ব্যস, তৈরি হয়ে গেল দেখতে একেবারে আসল কমলার মতো আকর্ষণীয় সুজির অরেঞ্জ লাড্ডু। সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

লাইফ স্টাইল Vision: বাংলা ভাষায় স্বাস্থ্যকর জীবন, মানসিক সুস্থতা, পরিবার, কর্মজীবন, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং জীবনমান সম্পর্কিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী Human Development Platform হওয়া; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ভ্রমণ, পরিবার, ক্যারিয়ার, ফ্যাশন, খাদ্য, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশেষজ্ঞ মতামত, গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা মানুষকে আরও সচেতন, সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে।