ইভান বারটন ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচের রেফারি

Jul 13, 2026 - 18:43
 0  12
ইভান বারটন ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচের রেফারি

রেফারি বিতর্ক দূর কারার জন্য ফিফা রেফারি নিয়োগ দিচ্ছে বেশ বুঝেশুনে। এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের কিছু সিদ্ধান্ত বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। টুর্নামেন্ট এখন শেষের দিকে, রেফারিদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রভাব আরও বেশি পড়বে রেফারি নিয়োগে শুধু অভিজ্ঞতা নয়, টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতে কেমন রেফারিং করেছেন, দেখা হচ্ছে সেটিও।

সাধারণত ম্যাচের আগের দিন ফিফা রেফারির নাম ঘোষণা করে। আগামীকাল ডালাসে ফ্রান্স–স্পেনের প্রথম সেমিফাইনালের রেফারিদের নাম এরই মধ্যে চূড়ান্ত করেছে ফিফা। ম্যাচটিতে প্রধান রেফারি হিসেবে থাকবেন ইভান বারটন। এল সালভাদরের এই রেফারি টুর্নামেন্টে এরই মধ্যে তিনটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।

গ্রুপ পর্বের প্যারাগুয়ে–তুরস্ক ম্যাচ পরিচালনা করেন ইভান বারটন। সেমিফাইনালটি হবে এবারের বিশ্বকাপে তাঁর চতুর্থ ম্যাচ।

কনকাকাফ অঞ্চলের অভিজ্ঞ রেফারি বারটন নিয়মিতই নেশনস লিগ ও গোল্ড কাপের মতো প্রতিযোগিতায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ছিল তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের তুরস্ক–প্যারাগুয়ে ও জাপান–সুইডেন ম্যাচ এবং শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া–সুইজারল্যান্ড ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি।

শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া–সুইজারল্যান্ড ম্যাচও পরিচালনা করেন বারটন

তুরস্ক–প্যারাগুয়ে ম্যাচেই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছিলেন বারটন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন তুরস্কের মের্ত মুলদুরকে মুখ ঢেকে কিছু একটা বলেন। মুলদুর সঙ্গে সঙ্গে বারটনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নিয়ে আলমিরনকে লাল কার্ড দেখান বারটন। মুখ ঢেকে কথা বলায় প্রথম লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা ছিল সেটি। এবারের আসরে এমন লাল কার্ড এরপর আর দেখা যায়নি।

এই ম্যাচের দায়িত্ব পাওয়ার মাধ্যমে ইতিহাসও গড়তে যাচ্ছেন বারটন। পুরুষদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়া প্রথম এল সালভাদরীয় রেফারি তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।