লুইস এনরিকের মেয়াদ বাড়ালো পিএসজি

Sep 5, 2026 - 10:50
 0  10
লুইস এনরিকের মেয়াদ বাড়ালো পিএসজি

লুইস এনরিকের আগের চুক্তির মেয়াদ চলতি মৌসুমের শেষে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে গতকাল রাতে মোনাকোর বিপক্ষে লিগ ম্যাচের আগে তাঁর সঙ্গে নতুন চুক্তির ঘোষণা দেয় পিএসজি। স্প্যানিশ এই কোচের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়িয়েছে ফরাসি ক্লাবটি। নতুন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০৩০ সালে। একই দিনে আরও পাঁচ খেলোয়াড়ের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছে পিএসজি—জোয়াও নেভেস, ফাবিয়ান রুইজ, উইলিয়ান পাচো, লুকাস বেরালদো ও সেনি মায়ুলু তাদের মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত।


পিএসজি সভাপতি নাসের আল-খেলাইফি বলেছেন, ‘এই খেলোয়াড়েরা ক্লাবের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চাই। নিজেদের মূল্যবোধ ধরে রেখে সমর্থকদের গর্ব করার মতো আরও ইতিহাস লিখতে চাই।’

চুক্তির দিনে ম্যাচ হারার জন্য এনরিকের কণ্ঠে উচ্ছ্বাস ছিল না, ‘(নতুন চুক্তি) এ বিষয়ে কথা বলার জন্য এখন সেরা সময় নয়। তবে আমি শুধু বলতে পারি, একই ক্লাবে তিন বছরের বেশি সময় থাকা আমার ক্যারিয়ারের জন্য এবারই প্রথম। আমি এখন এখানে আমার প্রথম বছরের চেয়েও বেশি অনুপ্রাণিত। বিষয়টি আমার কাছে অদ্ভুতই মনে হচ্ছে। আমি খুবই খুশি এবং আশা করি দায়িত্বের প্রতি সুবিচার করতে পারব।’

২০২৩-২৪ মৌসুমের আগে পিএসজির কোচের দায়িত্ব নেন সাবেক বার্সেলোনা ও স্পেন কোচ এনরিকে। তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল পিএসজিকে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান কাপ জেতানো। সেই লক্ষ্য পূরণে বেশি সময় লাগেনি।

২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে প্রথম ইউরোপিয়ান শিরোপা জেতে পিএসজি। এরপর গত মে মাসে আর্সেনালকে পেনাল্টি শুটআউটে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে তারা। এনরিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর পিএসজি তিনটি লিগ আঁ শিরোপা ও দুটি ফরাসি কাপও জিতেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।