পরিচালককে থাপ্পড় মারেন সালমান খান 

Jun 16, 2025 - 14:02
Sep 4, 2026 - 02:37
 0  23
পরিচালককে থাপ্পড় মারেন সালমান খান 

বিনোদন ডেস্ক

এক পরিচালকের সঙ্গে পার্টিতে ঝগড়া হয়েছিল বলিউড ভাইজান সালমান খানের। বিষয়টা এতটাই চরম পর্যায়ে পৌছেছিল যে, সালমান নাকি সেই পরিচালককে থাপ্পড় মেরেছিলেন।  তবে পরের দিনই সালমানকে তার কাছে ক্ষমা চাইতে হয়। সালমানের অবশ্য অভিযোগ ছিল, তার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেছিলেন ওই পরিচালক। তিনি সালমানের জুতায় প্রস্রাব করে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করেছিলেন ভাইজান।

জানেন কার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছিলেন অভিনেতা? পরিচালক সুভাষ ঘাই। যিনি একদিকে যেমন বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছিলেন, তেমনই কিছু সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন। 

সালমানের সঙ্গেই সুভাষ ঘাইয়ের ঝগড়া হয়। সালমান অভিযোগ করেছিলেন একটি পার্টিতে সুভাষ ঘাই তাকে চামচ, প্লেট দিয়ে মেরেছিলেন এবং তার জুতায় প্রস্রাবও করে দেন। তারপর রাগে সালমান তার গায়ে হাত তোলেন।

২০০২ সালে ‘লহেরন’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সালমান এই বিষয়ে কথা বলেছিলেন। অভিনেতা বলেছিলেন, ‘আমার মুখের উপর প্লেট দিয়ে মারতে থাকেন সুভাষজি। হঠাৎই ঘাড় চেপে ধরেছিলেন। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। প্রথমে রেগে গিয়ে নিজেই নিজেকে আঘাত করেছিলাম। একটা সময়ে সুভাষ ঘাইয়ের গায়ে হাত তুলে ফেলেছিলাম। কিন্তু পরের দিনই আমি তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলাম।’

সালমান ও সুভাষ ঘাইয়ের মধ্যে ঝগড়ার অবসান ঘটে সেলিম খানের হস্তক্ষেপে। তিনি তার ছেলেকে বলেন সুভাষ ঘাইয়ের কাছে ক্ষমা চাইতে। এই প্রসঙ্গে সেলিম একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘ঝগড়ার পরের দিন সকালে আমি চা খাচ্ছি, সালমান আমার কাছে এসে আগের রাতের ঘটনাটি জানায়। আমি ওকে বলি সুভাষ ঘাইয়ের কাছে ফোন করে ক্ষমা চাইতে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।