চাঁদা চেয়ে রাবির পাঁচ শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি

Sep 30, 2026 - 11:07
Sep 30, 2026 - 11:11
 0  4
চাঁদা চেয়ে রাবির পাঁচ শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পাঁচ শিক্ষককে ফোন করে ‘সর্বহারা’র পরিচয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।


হুমকি পাওয়া শিক্ষকরা হচ্ছেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, গণিত বিভাগের অধ্যাপক গৌর চন্দ্র পাল, সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস, নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন ও কৌশিক সরকার।

এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এক শিক্ষক। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।


জানা যায়, নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেনের কাছে ফোন করে জেলে থাকা কর্মীদের জামিনের খরচের জন্য টাকা দাবি করা হয়।

অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রথমবার ব্যস্ত থাকায় কথা বলতে পারিনি। তবে দুই ঘণ্টা পর আবার যখন কল দেয় তখন তাদের সাথে একটা লম্বা সময় কথা হয়। এসময় তারা আমার কাছে জানতে চান আমি কত টাকা দিতে পারবো। এসময় কলদাতা নিজেকে সিরাজ শিকদারের ছোটভাই হিসেবে পরিচয় দেন।’


পরবর্তীতে নিরাপত্তা চেয়ে মতিহার থানায় একটি জিডি করেন অধ্যাপক শাহরিয়ার। তিনি বলেন, ‘আমি সাথে সাথেই প্রক্টরকে কল দিই। প্রক্টর মাহবুবুর রহমান আমাকে জানান, এ ধরনের প্রতারণামূলক কল কয়েকদিন পরপরই বিভিন্ন শিক্ষকের কাছে আসছে।’


অধ্যাপক শাহরিয়ার আরও বলেন, ‘আমি পরবর্তীতে পুলিশের মাধ্যমে নাম্বার ট্র্যাক করে জানতে পারি এই কলটি মাদারীপুর থেকে আসছে। আর সিমটি মুফতি রেজাউল করিম নামে এক ব্যক্তির পরিচয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।’

আরেক ভুক্তভোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমাকে ফোন করে সর্বহারার পরিচয় দেয়া হলে আমি বেশি কথা না বাড়িয়ে ফোন কেটে দেই। পরবর্তীতে জানতে পারি এমন কল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক শিক্ষকের কাছেই এসেছে।’

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজুন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর জিডি নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। দ্রুতই এর সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।