ছোট পর্দার সফল ও দর্শকপ্রিয় জুটি আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী এবার একসঙ্গে বড় পর্দায় জুটি। তরুণ নির্মাতা ভিকি জাহেদের পরিচালনায় ‘পুলসিরাত’ নামের একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে দেখা যাবে তাদের। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সিনেমাটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হলেও সে সময় অভিনয়শিল্পীদের তালিকা চূড়ান্ত ছিল না। প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তারকাদের নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করার পর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে আসে এবং প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট ঘনিষ্ঠ সূত্রও গণমাধ্যমে তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
সিনেমাটি প্রযোজনা করছে দেশের অন্যতম শীর্ষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড; যারা গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি আলোচিত ও ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছে। এ সিনেমার মাধ্যমেই বড় পর্দায় পরিচালক হিসেবে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে ভিকি জাহেদের। এর আগে ছোট পর্দায় তার পরিচালনায় ‘পুনর্জন্ম’, ‘চিরকাল আজ’ এবং ‘রেডরাম’-এর মতো ব্যাপক প্রশংসিত নাটক ও ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছিলেন নিশো ও মেহজাবীন। ফলে ওটিটি ও টেলিভিশনের সেই চেনা রসায়ন এবার বড় ক্যানভাসে দেখতে পাওয়ার খবরে সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
প্রযোজনা দল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ‘পুলসিরাত’ সিনেমার প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজ একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের জানুয়ারির শুরুতেই শুরু হবে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক দৃশ্যধারণ। টানা এক মাসের একটি দীর্ঘ শিডিউলে পুরো শুটিং সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের, যার পরপরই ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে সম্পন্ন করা হবে সম্পাদনা ও পোস্ট-প্রোডাকশনের যাবতীয় কাজ।
সব প্রস্তুতি গুছিয়ে আগামী বছরের রোজার ঈদে প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন প্রযোজক ও পরিচালক। পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে মার্চ মাসে পবিত্র ঈদুল ফিতরের বড় উৎসবে প্রেক্ষাগৃহে অভিষেক ঘটবে নিশো ও মেহজাবীন জুটির। নাটকের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে বড় পর্দায় এই জুটির নতুন যাত্রা দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।