১০ বছরের সম্পর্কে ইতি, বিচ্ছেদের কারণ জানালেন প্রীতম-শেহতাজ

Oct 5, 2026 - 12:18
Oct 5, 2026 - 18:18
 0  3
১০ বছরের সম্পর্কে ইতি, বিচ্ছেদের কারণ জানালেন প্রীতম-শেহতাজ
সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান এবং মডেল–অভিনেত্রী ও গায়িকা শেহতাজ মনিরা হাশেমের দাম্পত্যজীবনের ইতি ঘটছে। পারস্পরিক বোঝাপড়ায় কিছু বড় পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন শেহতাজ মুনিরা।
 
পোস্টে শেহতাজ জানান, প্রীতম ও আমি পারস্পরিক সম্মতি ও ভালো বোঝাপড়ার মাধ্যমে ১০ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
 
Shahtaj and Pritom
তিনি আরও জানান, ‘একসঙ্গে কাটানো সময় ও স্মৃতিগুলোর জন্য আমরা দুজনই কৃতজ্ঞ। এখনও আমরা একে ওপরের প্রতি যত্নশীল। তবে সময়ের সঙ্গে আমরা বুঝতে পেরেছি, পারস্পরিক বোঝাপড়ার অভাবে আলাদা থাকাই আমাদের দুজনের জন্য ভালো। অনেক ভেবেচিন্তেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুই পরিবারের সমর্থনে আমরা এখন বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোচ্ছি।’
 
পোস্টের শেষে তিনি বলেন, ‘এই পরিবর্তনের সময়ে আমাদের ব্যক্তিগত বিষয়কে সম্মান করার জন্য বন্ধু, সহকর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। জীবনের এই নতুন অধ্যায়টি যেন আমরা নিজেদের মতো করে সামলাতে পারি, সে জন্য সবার সহযোগিতা ও বোঝাপড়া কামনা করছি। সবাইকে ধন্যবাদ।’
 
একসঙ্গে কাটানো সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আরও লিখেছেন, ‘একসঙ্গে কাটানো সময়, স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার জন্য আমরা দুজনই কৃতজ্ঞ। একে অপরের প্রতি আমাদের সম্মান ও শুভকামনা সব সময়ই থাকবে।’
বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানলেন প্রীতম-শেহতাজ | | বাংলাদেশ প্রতিদিন
 
কেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলো, সেটিও জানিয়েছেন প্রীতম। তার ভাষ্যে, সময়ের সঙ্গে তারা উপলব্ধি করেছেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার কিছু বড় পার্থক্যের কারণে আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়াই দুজনের জন্য ভালো হবে।
 
উল্লেখ্য, প্রীতম হাসান ও শেহতাজ মুনিরা হাশেমের বিয়ে হয় ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবর। শ্রীমঙ্গলে জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের আগে প্রায় পাঁচ বছর তাদের সম্পর্ক ছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।