হারিয়ে গেলেন বলিউড অভিনেত্রী ভূমিকা

Aug 22, 2025 - 17:59
Sep 4, 2026 - 02:42
 0  31
হারিয়ে গেলেন বলিউড অভিনেত্রী ভূমিকা

বিনোদন ডেস্ক 

বলিউডে ‘তেরে নাম’ সিনেমা করে জনপ্রিয়তা পান দক্ষিণী সিনেমার নায়িকা ভূমিকা চাওলা।  যেভাবে বলিউডে দ্রুত জনপ্রিয়তা পান সে একইভাবে ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়েও যান এ অভিনেত্রী। 

ভারতের নয়াদিল্লিতে ১৯৭৮ সালের ২১ আগস্ট সেনাপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ভূমিকা। বাবার মতো তার বড় ভাই মিলিটার অফিসার। কিন্তু ভূমিকার ঝোঁক অভিনয়ের দিকে থাকায় তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেন অভিনয়কে। ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার লাস্যময়ী এ সুন্দরী তাই ১৯৯৭ সালে ক্যারিয়ার শুরু করেন বিজ্ঞাপন আর মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে।

সে কাজ দিয়েই তেলেগু সিনেমায় কাজের অফার পান। ২০০০ সালে ‘যবাকুডু’ সিনেমায় অভিনয় করে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। তবে তেলেগু সিনেমা ‘খুশি’তে অভিনয় করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছান। এটি ছিল তার দ্বিতীয় সিনেমার কাজ।
 
দর্শকমহলে ভূমিকা চাওলা নামে পরিচিতি পেলেও তার পারিবারিক নাম কিন্তু এটি নয়! রচনা চাওলা ছিল তার আসল নাম। বাবা অভিনেত্রীকে আদর করে ডাকতেন গুড়িয়া। সেনা অফিসারের মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা তার কেটেছে ভারতের নানা শহরে। সিনেমায় ক্যারিয়ার শুরুর সময় বিশেষ করে প্রথম সিনেমা ‘যবাকুডু’ সিনেমায় অভিনয় করার সময় তার নাম বদলে তিনি হয়ে ওঠেন ভূমিকা।

২০০৩ সালে সালমান খানের যখন বলিউডের সময়টা ভালো যাচ্ছিল না তখন ভূমিকা অভিনেতার সঙ্গে ‘তেরে নাম’ সিনেমায় অভিনয় করেন। ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন এ মুখ অনেক আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত সে আশায় জল ঢেলে দেন অভিনেত্রী। কাজ হারান মুন্না ভাই এমবিবিএস, যাব উই মেট এমনকি বাজিরাও মাস্তানীর মত বিগ বাজেটের সিনেমার।
 
অনেকেই মনে করেন ইন্ডাস্ট্রিতে ঘনিষ্ঠ লবিং না থাকায় সেভাবে গর্জে উঠতে পারেননি ভূমিকা। বলিউডে তার টিকে না থাকার কারণ হিসেবে অনেক ভক্তই দায়ী করেন অভিনেত্রীর একই ধরনের অভিনয় করাকেও। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।