সুতা ও কাপড় আমদানিতে অনুমোদন জটিলতা দূর করল সরকার

Sep 21, 2026 - 23:49
Sep 21, 2026 - 23:49
 0  2
সুতা ও কাপড় আমদানিতে অনুমোদন জটিলতা দূর করল সরকার

আমদানি নীতি আদেশ (আইপিও) ২০২৬-২৯ এর বেশকিছু বিধান সংশোধন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে রপ্তানিমুখী পোশাক প্রস্তুতকারকদের জন্য সুতা ও কাপড় আমদানিতে মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমতি নেয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে সরকার।

রবিবার(২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অনুমোদিত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আইআরসি) ছাড়াই নতুন শিল্প ইউনিট স্থাপনের জন্য ক্যাপিটাল মোটেরি বা মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারবে।

পাশাপাশি, নিজস্ব কার্যক্রম ও উৎপাদন ক্ষমতা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বা খুচরা যন্ত্রাংশও আমদানি করার সুযোগ পাবে।

সংশোধিত নীতি অনুযায়ী, তৈরি পোশাক শিল্পের নির্দিষ্ট কিছু পণ্য— যেমন সিমেলেস স্পোর্টসওয়্যার, উচ্চমূল্যের ফ্যাশন আইটেম এবং কৃত্রিম তন্তুর তৈরি কার্যকরি পোশাক (ফাংশনাল অ্যাপারেল) উৎপাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শিল্প সমিতির সুপারিশক্রমে বিশেষায়িত ফেব্রিক আমদানি করা যাবে।

এছাড়া, এই সংশোধনের ফলে নির্ধারিত টেক্সটাইল ও হোসিয়ারি পণ্যসমূহ নিশ্চিত এবং ফেরত-অযোগ্য রপ্তানি আদেশ বা চুক্তির ভিত্তিতে, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি বা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে আমদানি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সরকার শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ার পার্টস (যন্ত্রাংশ) আমদানির বিধানও সহজ করেছে।


আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা এবং রপ্তানিমুখী ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও সরঞ্জামাদির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করাই সংশোধিত এই বিধানগুলোর মূল উদ্দেশ্য। আমদানি ও রপ্তানি (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৫০ এবং আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯ এর প্রাসঙ্গিক বিধানাবলীর অধীনে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাণিজ্য ও অর্থনীতি Vision: বাংলা ভাষায় ব্যবসা, অর্থনীতি, আর্থিক বাজার, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ বিশ্লেষণের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য Business & Economic Intelligence Platform হওয়া; যা নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, গবেষক, করপোরেট নেতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধান রেফারেন্স ও জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, আর্থিক ব্যবস্থা, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ এবং ব্যবসায়িক পরিবেশকে তথ্য, গবেষণা, ডেটা, আন্তর্জাতিক তুলনা এবং বিশ্লেষণধর্মী সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, দায়িত্বশীল বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা সংস্কৃতি বিকশিত হয়।