কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক স্ত্রী মোছা. সাথী খাতুনসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন হিরো আলম। হিরো আলমের পক্ষের আইনজীবী সান্তা সাকছিনা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার অপর আসামি হলেন- হিরো আলমের সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম (৩০) এবং মো. মহিদুল ইসলাম (২৮)।
আইনজীবী সান্তা সাকছিনা বলেন, আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক স্ত্রী সাথী খাতুন হিরো আলমের কাছে এসে তার মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে সংসারের খরচ ও পোশাক কেনার জন্য তাকে অর্থ দেন হিরো আলম। গত ২২ আগস্ট ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে যাওয়ার পর সাথী খাতুন মিউজিক ভিডিওর শুটিং ও সাজসজ্জার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট সাথী খাতুনকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে ওই অর্থ ব্যাংকে জমা রাখার কথা তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বীকার করেছেন। পরবর্তী সময়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাথী খাতুনকে তালাক দেওয়ার পর তিন আসামি মিলে তার কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গত ১৬ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হিরো আলম। আসামিরা গত ১২ অক্টোবর সোস্যাল মিডিয়াতে এসে সরাসরি বলেন, বাদীর জন্ম দিনের অনুষ্ঠানে জনসম্মুখে লাইভ-এ এসে বিষ খাবে এবং বাদীকে জেলের ভাত খাওয়াবে মর্মে হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বাংলাদেশ
ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।