মেসিকে পেছনে ফেললেন কেইন, সামনে এখন রোনালদো

Oct 14, 2026 - 16:08
 0  0
মেসিকে পেছনে ফেললেন কেইন, সামনে এখন রোনালদো
ছবি:সংগৃহীত

ভাইকিংদের ডেরা থেকে জয় নিয়ে ফিরতে না পারলেও লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার এক অনন্য কীর্তি গড়েছেন হ্যারি কেইন। মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে নরওয়ের ক্লাব ভাইকিংয়ের বিপক্ষে ৩–৩ গোলে ড্র করেছে বায়ার্ন মিউনিখ। দলের পক্ষে জোড়া গোল করার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়নস লিগের রেকর্ড বইয়ে আর্জেন্টিনার মহাতারকা মেসিকে পেছনে ফেলে নতুন এক শিখরে পা রেখেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।

বয়স ৩০ পেরিয়ে গেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে পেছনে ফেলেছেন কেইন। ৩০ পেরিয়ে ইউরোপের শীর্ষ এ ক্লাব প্রতিযোগিতায় ৪০ ম্যাচে ৩৬ গোল করলেন ৩৩ বছর বয়সী কেইন। মেসি ৩০ পেরিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৪৮ ম্যাচে করেন ৩৫ গোল। অর্থাৎ ভাইকিংয়ের জালে কেইনের দ্বিতীয় গোলে পেছনে পড়েন বার্সেলোনা কিংবদন্তি।

কেইন বায়ার্নে যোগ দেন ২০২৩ সালে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এরপর থেকে অন্য রূপে দেখা যাচ্ছে তাকে। সামনে এখন করিম বেনজেমা, রবার্ট লেভানডফস্কি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৩০ বছর বয়স পেরিয়ে এ তালিকায় বেনজেমার গোল ৩৭টি, লেভার ৬৪ এবং রোনালদোর ৬৮টি। কেইন যে গতিতে ছুটছেন, তাতে বেনজেমার পেছনে পড়া স্রেফ সময়ের ব্যাপার। লেভানডফস্কি ও রোনালদোকে পেছনে ফেলতে পারবেন কি না, তা সময় হলেই বোঝা যাবে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে এ নিয়ে টানা ৯ ম্যাচে গোল করলেন কেইন। পোলিশ কিংবদন্তি লেভানডফস্কি ও সাবেক ডাচ স্ট্রাইকার রুদ ফন নিষ্টলরয়ও টানা ৯ ম্যাচে গোল করেছেন। তবে রেকর্ড গড়তে কেইনকে আরও টানা ৩ ম্যাচে গোল করতে হবে। ২০১৮ সালে রোনালদো টানা ১১ ম্যাচে গোলের রেকর্ড গড়েন।

এদিকে কেইন এবার ব্যালন ডি’অর জয়ে বেশ বড় দাবিদার। গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৬৫ ম্যাচে করেছেন ৭৩ গোল। বুন্দেসলিগা জয়ের পাশাপাশি জেতেন জার্মান কাপও। গত জুলাইয়ে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে তুলেছিলেন সেমিফাইনালে। এবারের মৌসুমে ৯ ম্যাচে এখন পর্যন্ত ৮ গোল করেছেন কেইন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।