বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে হানিমুনে আমির খান-গৌরী

Jul 12, 2026 - 17:05
Sep 4, 2026 - 02:26
 0  19
বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে হানিমুনে আমির খান-গৌরী

বলিউড সুপারস্টার আমির খান বিয়ের এক সপ্তাহও পার হয়নি এর মধ্যেই স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাটকে নিয়ে উড়াল দিয়েছেন সুদূর মধুচন্দ্রিমায় হানিমুনের উদ্দেশ্যে । তাদের সফরসঙ্গী হয়েছেন আমির খানের দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের ছেলে আজাদ রাও খান এবং গৌরী স্প্র্যাটের প্রথমপক্ষের ছেলে কুইন স্প্র্যাট।

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অবস্থান করছেন আমির ও গৌরী। জানা গেছে, মেলবোর্নে প্রথমে একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেবেন আমির।

আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর গৌরী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কয়েক দিন অবকাশযাপন করবেন তিনি। প্রতিবেদন বলছে, এই সফরের উদ্দেশ্য শুধু হানিমুন নয়; বরং নতুন পরিবার হিসেবে একসঙ্গে সময় কাটানোও। বিশেষ করে আজাদ ও কুইনের মধ্যে পারিবারিক বন্ধন আরো দৃঢ় করে তুলতে চান এই অভিনেতা।

গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের পালি হিলে নিজের বাসভবনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট।

অনুষ্ঠানে আমিরের আগের দুই সংসারের সন্তানরাও উপস্থিত ছিলেন। এদিকে বিয়ের পর নতুন ঠিকানায় বসবাসের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন এই তারকা। জানা গেছে, পালি হিলের বর্তমান বাড়ি ছেড়ে প্রায় ১০০ কোটি রুপি মূল্যের ‘মেরিনা’ আবাসনের তিনটি ফ্ল্যাটে উঠবেন তিনি। সেখানে আমির ও গৌরীর পাশাপাশি কাছাকাছি থাকবেন কিরণ রাও ও ছেলে আজাদ, আমিরের বড় ছেলে জুনায়েদ খান, বোন নিখাত খান এবং মা জিনাত হুসেন।

উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। ২০২৫ সালে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে তাদের সম্পর্কের কথা জানান অভিনেতা। পরে চলতি মাসের ৫ জুলাই ঘরোয়া আয়োজনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই যুগল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।