বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সেই পরামর্শ দিলেন ডি ভিলিয়ার্স

Aug 25, 2026 - 18:41
 0  12
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সেই পরামর্শ দিলেন ডি ভিলিয়ার্স

অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে বাংলাদেশের সামনে এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। দুই ম্যাচের টেস্ট এবং তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আগামী নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এই সিরিজে কেমন করতে পারে বাংলাদেশ? এবি ডি ভিলিয়ার্স কিন্তু বাংলাদেশ দলের ভালো করার সম্ভাবনাই দেখছেন বেশি।

সেটার কারণ অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স। ডারউইনে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নাজমুল হোসেনের দল। ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে অবশ্য দুই দিনেই হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১–১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ ড্র করাটা বাংলাদেশের জন্য দারুণ এক ফল।

ডারউইনে বাংলাদেশ দল জেতার পর দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবদন্তি ডি ভিলিয়ার্স তাঁর ইউটিউব চ্যানেল ‘৩৬০’–তে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে বাংলাদেশ দলের প্রশংসার পাশাপাশি সামনে তাদের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়েও কথা বলেন সাবেক এই ব্যাটসম্যান।

ডি ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমার মনে হয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই করবে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন জায়গাগুলোর একটি, বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের জন্য। বল শুধু সুইং করে না, সিমেও মুভ করে। পিচে পড়ার পর মুভ করে। খুব বেশি খেলোয়াড় এতে অভ্যস্ত নয়। তাদের মুখোমুখি হওয়াটা তাই খুব কঠিন।’

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বড় চমক উপহার দেয় বাংলাদেশ

এমন কন্ডিশনে কীভাবে ব্যাট করতে হবে, সেটাও যেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের বলে দিলেন ডি ভিলিয়ার্স। শুনুন তাঁর মুখেই, ‘আমার ব্যক্তিগত কিছু কৌশল আছে। কখনো ক্রিজ থেকে বের হয়ে এসেছি, কখনো–বা স্টাম্প ঢেকে ব্যাট করেছি। আবার কখনো স্টাম্প ছেড়ে দাঁড়িয়েছি। কন্ডিশনটা কেমন মনে হচ্ছে, সেটার ওপর এসব নির্ভর করে।’

ডি ভিলিয়ার্স এরপর স্পষ্ট করেই বলেন, ‘সিমিং কন্ডিশনে এগুলোই (ব্যাটিংয়ের সময়) করতে হবে। সারা দিন শুধু একটি স্টাম্পের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। সক্রিয় ও উদ্যোগী হতে হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।