বন্দুক চালানোর ভঙ্গিতে গোল উদ্‌যাপন করাতে লাল কার্ড দেখলেন ইসরায়েলি ফুটবলার

Sep 25, 2026 - 14:10
 0  2
বন্দুক চালানোর ভঙ্গিতে গোল উদ্‌যাপন করাতে লাল কার্ড দেখলেন ইসরায়েলি ফুটবলার
ছবি: সংগৃহীত

রাইফআইসেন অ্যারেনায় গতকাল রাতের ম্যাচে তখন ৫৫ মিনিট। গোল করে স্বাগতিক অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ইসরায়েলকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরান সেন্টার ফরোয়ার্ড সাইদ আবু ফারখি। সতীর্থদের সঙ্গে গোল উদ্‌যাপন করে তিনি চলে যান কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে। ফ্ল্যাগটি তুলে ডান হাঁটু মাটিতে পেতে, বাঁ হাতে ফ্ল্যাগের লাঠি রেখে বন্দুক চালানোর মতো ভঙ্গি করলেন। তবে উদ্‌যাপনটি পুল খেলায় শট নেওয়ার ভঙ্গি নাকি বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার অনুকরণ ছিল, তা সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট বোঝা যায়নি।

ফারখি এরপর ফ্ল্যাগটি যথাস্থানে রেখে সতীর্থদের কাছে ফেরার সময় তাঁর মুখের হাসিটা মিলিয়ে যায়। রেফারি গিওর্গি কাবাকভ যে ততক্ষণে তাঁকে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন! চার মিনিট আগেই প্রথম হলুদ কার্ড দেখায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ডটি হয়ে যায় লাল কার্ড। কলোরাডো র‍্যাপিডসের এই ফরোয়ার্ড রেফারির সিদ্ধান্তে চোখেমুখে বিস্ময় ফুটিয়ে মাঠ ছাড়েন।

৫৬ মিনিটে ফারখি লাল কার্ড দেখার পর ৯০ মিনিট ও যোগ করা সময়ে ২টি গোল করে নেশনস লিগের ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতে নেয় অস্ট্রিয়া। ফারখির লাল কার্ড নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুললেও ফুটবলের নিয়মানুযায়ী, গোল উদ্‌যাপনের সময় উসকানিমূলক, অপমানজনক বা বিতর্কিত কোনো আচরণের কারণে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখানোর বিধান রয়েছে।

ফারখি এমন এক সময়ে গোলটি ওভাবে উদ্‌যাপন করলেন, যখন গাজায় আগ্রাসন চালানোর কারণে বৈশ্বিক ফুটবলে চাপে আছে ইসরায়েল। নেশনস লিগে তাদের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ বর্জনের দাবির মুখে পড়েছে আয়ারল্যান্ড। দুটি ম্যাচই নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ তাদের দেওয়া এ তথ্যকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধের সূচনা হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।