পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ

Oct 3, 2025 - 13:19
Sep 4, 2026 - 03:18
 0  28
পাকিস্তানকে হারিয়ে দিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক 

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে মাত্র ১২৯ রানে গুটিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ জিতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে ১৩০ রান করতে হবে নিগার সুলতানার দলের।

কলম্বোতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই জোড়া ধাক্কা দেন বাংলাদেশি পেসার মারুফা আক্তার। ওভারের পঞ্চম আর ষষ্ঠ বলে উমাইমা সোহেল ও সিদরা আমিনকে গোল্ডেন ডাকে (১ বলে ০) সাজঘরে ফেরান তিনি। দুজনই হয়েছেন বোল্ড।

২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপর রামিনা শামিম ও মুনিবা আলি প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠেন। অবশেষে ১২তম ওভারে এসে মুনিবাকে পয়েন্টে ক্যাচ বানিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদা আক্তার। ৩৫ বলে ১৭ করেন মুনিবা।

নিজের পরের ওভারে নিজেই ক্যাচ নিয়ে রামিন শামিমকে ফেরান বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা। ৩৯ বলে ২৩ রান নিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন রামিন।

সেট হয়ে আউট হয়েছেন সিদরা নওয়াজও (২০ বলে ১৫)। একবার ফাহিমা খাতুনের লেগস্পিনে রিভিউ নিয়ে বাঁচলেও পরে আরেক লেগি রাবেয়া খানের এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন তিনি।

৬৭ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর ধরে খেলায় মনোযোগ দেন আলিয়া রিয়াজ আর ফাতিমা সানা। ৫৪ বলে তাদের ২৪ রানের জুটিটি অবশেষে ভাঙেন নিশিতা আক্তার নিশি। ডাউন দ্য উইকেটে বড় শট হাঁকাতে গিয়ে লংঅফ বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন আলিয়া (৪৩ বলে ১৩)।

একশর আগে (৯১ রানে) ৬ উইকেট খুইয়ে ফের চাপে পড়ে পাকিস্তান। এক ওভার পরেই ৩৩ বলে ২২ রান করা ফাতিমা সানাকে এলবিডব্লিউ করেন ফাহিমা খাতুন।

এরপর আর বেশিদূর এগোতে পারেনি পাকিস্তান। ৩৮.৩ ওভারে তাদের ১২৯ রানেই গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশের মেয়েরা।

বাংলাদেশের স্বর্ণা আক্তার মাত্র ৫ রানে ৩টি, মারুফা ও নাহিদা আক্তার নেন ২টি করে উইকেট।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।