নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারে অনড় আইসিসি

Sep 6, 2026 - 23:00
Sep 6, 2026 - 23:01
 0  8
নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারে অনড় আইসিসি

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপ সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে।

রোববার(৬ সেপ্টেম্বর) টোকিওতে আয়োজিত আয়োজিত এক অনলাইন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় জাপানি নাগরিক আকানে এ মন্তব্য করেন।তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি

প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে বলেন, পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, আদালতের দায়িত্ব পালনে তিনি পিছপা হবেন না। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকেই আইসিসির ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বাড়ছে।

একই বছরের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।এর পর থেকেই আদালতটির ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বাড়তে থাকে।


গত মাসে আইসিসি প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও আদালতের আরেক কর্মকর্তা আবদুলায়ে সাইয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়াই তদন্ত, গ্রেপ্তার, আটক ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগে আইসিসির ওই কর্মকর্তারা সরাসরি যুক্ত।

তোমোকো আকানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে জাপান। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

দেশটি জানিয়েছে, গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে কার্যকর রাখতে জাপান ধারাবাহিকভাবে আইসিসিকে সমর্থন করে আসছে।

জাপান জানিয়েছে, গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা, আইনের শাসন বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কার্যকারিতা ধরে রাখতে তারা দীর্ঘদিন ধরে সংস্থাটিকে সমর্থন দিয়ে আসছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।