টেস্টে নো বল ঠেকাতে কোচ সাইরাজের পরামর্শে একমত হননি গাভাস্কর

Aug 30, 2026 - 16:48
 0  9
টেস্টে নো বল ঠেকাতে কোচ সাইরাজের পরামর্শে একমত হননি গাভাস্কর

টেস্টে নো বল না থাকার কারনে অনেক প্লেয়ার নিজের ইচ্ছেয় বারবার নো বল করে থাকেন। ভারতীয় প্লেয়ারদের নো বলের প্রবণতা থেকে এবার নো বল নিয়ে আলোচনা এতো বেশি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সম্প্রতি শেষ হওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ভারতের বোলারদের নো বলের প্রবণতা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা ও অভিষিক্ত সারাংশ জৈন বারবার বোলিং ক্রিজ অতিক্রম করেছেন। দ্বিতীয় টেস্টেই ভারত ১৩টি নো বল করেছে। এর মধ্যে দুই ইনিংস মিলিয়ে জাদেজা ও সারাংশেরই ছিল ১১টি।

এমন কান্ডে হতবাক হয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব চলছে আলোচনা সমালোচনা। এমন সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য অনেকে নানান পরামর্শ দিচ্ছেন।

ভারতীয় স্পিন বোলিং কোচ সাইরাজ বাহুতুলের কাছে মনে হয় এমন সমস্যা বন্ধ করার জন্য টেস্টে নো বল করলে শাস্তি হিসাবে ফ্রি হিট চালু করা উচিত।

কিন্তু তার সাথে ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন সুনিল গাভাস্কর তার মতে,নো বল ঠেকাতে টেস্টে ‘ফ্রি হিট’ দেওয়া মানে ব্যাটসম্যানদের আরও রান করার সুযোগ দেওয়া। তার চেয়ে বরং বোলারকে জরিমানা করা হোক, এমনকি কোচকেও।

২০২১ সাল থেকে স্পিনারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ‘নো’ জাদেজার

প্রথম টেস্টে জাদেজা করেছিলেন চারটি নো বল। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে আরও তিনটি করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে একটি। সব মিলিয়ে ২০২১ সাল থেকে টেস্টে তাঁর নো বলের সংখ্যা এখন ৮৮।

এই সময়ে স্পিনারদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের নোমান আলীর নো বল ৪০। অর্থাৎ জাদেজার অর্ধেকেরও কম। এরপর শ্রীলঙ্কার লাসিথ এম্বুলদেনিয়া ৩৩ এবং ইংল্যান্ডের জ্যাক লিচ ১৯টি নো বল করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।