ঝুট কাপড়ে ঘুরছে সৈয়দপুরের শত কোটি টাকার অর্থনীতির চাকা

Sep 4, 2026 - 00:03
Sep 4, 2026 - 01:48
 0  10
ঝুট কাপড়ে ঘুরছে সৈয়দপুরের শত কোটি টাকার অর্থনীতির চাকা

ফেলে দেওয়া কাপড় থেকে তৈরি হচ্ছে সাশ্রয়ী ও বৈচিত্র্যময় পোশাক, কর্মসংস্থান হচ্ছে হাজারো মানুষের; পূর্ণাঙ্গ বিকাশে প্রয়োজন গ্যাস ও সহজ শর্তে ঋণসুবিধা

নীলফামারীর সৈয়দপুর থেকে ফিরে—

শীতের কনকনে ঠান্ডা যখন দেশের উত্তরাঞ্চলজুড়ে জেঁকে বসে, তখন ফুটপাত থেকে মাঝারি বিপণিবিতান—সবখানেই বাড়তে থাকে সাশ্রয়ী মূল্যের গরম কাপড়ের চাহিদা। সাধারণ মানুষের সেই বিপুল চাহিদার জোগান দিতে প্রতি বছর নীরবে ব্যস্ত হয়ে ওঠে নীলফামারীর সৈয়দপুর।

ঢাকা, সাভার, গাজীপুর ও চট্টগ্রামের বড় পোশাক কারখানার কাটিং টেবিল থেকে বের হওয়া কাপড়ের ছোট-বড় টুকরো, যা শিল্পে ‘ঝুট’ নামে পরিচিত, সেই অবশিষ্ট কাপড়কে কেন্দ্র করেই সৈয়দপুরে গড়ে উঠেছে এক বিশাল অপ্রাতিষ্ঠানিক পোশাকশিল্প।

একসময় যে কাপড়কে অব্যবহারযোগ্য মনে করা হতো, সেই ঝুট এখন হয়ে উঠেছে উত্তরের একটি গতিশীল অর্থনীতির প্রধান কাঁচামাল। এই কাপড় পুনর্ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে জ্যাকেট, হুডি, ব্লেজার, প্যান্ট, শার্টসহ নানা ধরনের পোশাক।

এর মাধ্যমে একদিকে যেমন কাপড়ের অপচয় কমছে, অন্যদিকে তুলনামূলক কম দামে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে ব্যবহারযোগ্য ও বৈচিত্র্যময় পোশাক। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ভাষ্য, বহু বছর ধরে গড়ে ওঠা এই শিল্প এখন আর শুধু কুটির শিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি শত কোটি টাকার একটি বিস্তৃত স্থানীয় অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।

অলিগলিতে সেলাই মেশিনের শব্দ

সৈয়দপুরের রেলবাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই বাণিজ্যের বিস্তার এখন শহরের বিভিন্ন এলাকায়। মুন্সীপাড়া, নয়াটোলা, হাতিখানাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঢুকলেই শোনা যায় সেলাই মেশিনের অবিরাম শব্দ।

প্রত্যন্ত বোতলাগাড়ী ইউনিয়নেও বাড়িঘর ও ছোট কারখানায় চলছে পোশাক তৈরির কাজ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সৈয়দপুরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে ৫০০টির বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোশাক কারখানা রয়েছে। এর একটি বড় অংশ গড়ে উঠেছে প্লাজা সুপার মার্কেটকেন্দ্রিক এলাকায়।

এসব কারখানার অনেকগুলোতে সীমিত জায়গায় কয়েকজন কারিগর একসঙ্গে কাজ করেন। কোথাও টিনের চালার নিচে, কোথাও বাড়ির একটি কক্ষকে কারখানায় রূপান্তর করে চলছে উৎপাদন।

রিজওয়ান গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মাসুদের কারখানায় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন কারিগর নওশাদ আলী ও মোহাম্মদ রুবেল।

তাঁরা জানান, সৈয়দপুরে তৈরি পোশাকের বাজার এখন শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভারত, নেপাল ও ভুটানেও এসব পোশাক যাচ্ছে বলে তাঁদের দাবি। বিদেশি পাইকারি ব্যবসায়ীরাও সরাসরি সৈয়দপুরে এসে পণ্য সংগ্রহ করেন।

শীত এলেই বাড়ে ব্যস্ততা

সৈয়দপুরের এই পোশাকশিল্প মূলত উন্মুক্ত পাইকারি বাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। এখানে কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অর্ডারের জন্য নয়, সাধারণ বাজারের চাহিদা বিবেচনায় রেখে পোশাক তৈরি করা হয়।

শীতের মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততা থাকে জ্যাকেট, হুডি ও অন্যান্য গরম পোশাক তৈরিতে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা সৈয়দপুরে আসেন।

কারিগর মোহাম্মদ রুবেল বলেন, শীত মৌসুমে কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ঢাকা, খুলনা, যশোর, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা পণ্য কিনতে আসেন।

তাঁদের ভাষ্য, তুলনামূলক কম দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের শীতবস্ত্রের চাহিদা পূরণে সৈয়দপুরের তৈরি পোশাকের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।

শুধু শীতের পোশাক নয়

শীত মৌসুমের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয় সৈয়দপুরের কারখানাগুলোর উৎপাদন তালিকাও।

শীতকালে জ্যাকেট, হুডি ও ব্লেজার তৈরিতে ব্যস্ত থাকলেও ঈদকেন্দ্রিক বাজারে তৈরি হয় ডেনিম ও গ্যাবাডিনের প্যান্ট এবং বিভিন্ন ধরনের শার্ট।

গরম মৌসুমে উৎপাদন হয় টু-কোয়ার্টার ও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট, হাফ প্যান্ট এবং হালকা ট্রাউজার।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, কাপড়ের পুনর্ব্যবহার ও তুলনামূলক কম উৎপাদন ব্যয়ের কারণে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে এসব পোশাক বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে।

প্রথম দেখায় ঝুট কাপড় দিয়ে তৈরি এসব পোশাককে বাজারের অন্যান্য পোশাক থেকে আলাদা করা অনেক ক্ষেত্রেই কঠিন। কারিগরদের দক্ষতা ও ফিনিশিংয়ের কারণে এগুলোর চাহিদাও বাড়ছে।

একজন কারিগরই পুরো পোশাক তৈরি করেন

বড় পোশাক কারখানায় সাধারণত আধুনিক ‘চেইন সিস্টেমে’ কাজ হয়। সেখানে একজন শ্রমিক একটি নির্দিষ্ট অংশে কাজ করেন।

কিন্তু সৈয়দপুরের ছোট কারখানাগুলোতে একজন কারিগরকেই প্রায় পুরো পোশাক তৈরির কাজ করতে হয়। কাপড় বাছাই, রং মিলানো, কাটিং, সেলাই থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ফিনিশিং পর্যন্ত একই কারিগরকে একাধিক ধাপ সম্পন্ন করতে হয়।

রাজু গার্মেন্টসের কারিগর সোহেল হাফিজ বলেন, ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে বস্তায় করে আসা ঝুট কাপড়ে নানা ধরনের রং, সাইজ ও কাপড়ের টুকরো একসঙ্গে মেশানো থাকে।

সেগুলো থেকে একই ধরনের কাপড় ও রং মিলিয়ে ব্যবহারযোগ্য অংশ আলাদা করতেই প্রতিদিন তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় চলে যায়।

তাঁর ভাষ্য, একজন কারিগর সারাদিন কাজ করে সর্বোচ্চ প্রায় ৩০টি পোশাকের কাটিং ও সেলাই করতে পারেন। এ কাজের বিনিময়ে অনেক কারিগরের দৈনিক আয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।

বদলাচ্ছে কাঁচামালের ধরন

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই শিল্পের কাঁচামালেও পরিবর্তন এসেছে।

একসময় উৎপাদনের প্রায় পুরোটা ঝুট কাপড়ের ওপর নির্ভরশীল থাকলেও এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কারিগর নওশাদ আলীর ভাষ্য, বর্তমানে উৎপাদনে প্রায় ৬০ শতাংশ রোল কাপড় এবং ৪০ শতাংশ ঝুট কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর অন্যতম কারণ ঝুট কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়া।

স্থানীয় উদ্যোক্তারা জানান, ২০০০ সালের দিকে যে ঝুট কাপড় কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৭ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার দাম কয়েক গুণ বেড়েছে। মধ্যস্বত্বভোগীদের হাত ঘুরে কাঁচামাল আসায় উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়ছে।

তার পরও তুলনামূলক কম দামে পোশাক বাজারজাত করতে পারছেন উদ্যোক্তারা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, পাইকারি বাজারে একটি ফুল প্যান্ট ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করা হয়। উন্নত মানের অনেক জ্যাকেটের পাইকারি মূল্য থাকে প্রায় ২০০ টাকার মধ্যে। খুচরা বাজারে এসব পোশাক ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়।

বাড়িতে বাড়িতে ক্ষুদ্র কারখানা

এসএমই ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সৈয়দপুরের বিভিন্ন এলাকায় বাড়িভিত্তিক ক্ষুদ্র পোশাক কারখানাও গড়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, দুই শতাধিক বাড়িভিত্তিক ক্ষুদ্র কারখানায় ঝুট কাপড় ব্যবহার করে পোশাক উৎপাদন হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সঙ্গে প্রায় ৫০০ পরিবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত।

ক্ষুদ্র এই শিল্প পরিবারভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে এমন পরিবারগুলো, যাদের পক্ষে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ পাওয়া কঠিন, তারাও এই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন।

সহজ শর্তে ঋণ চান উদ্যোক্তারা

বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সৈয়দপুরের ক্ষুদ্র পোশাক উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

ক্ষুদ্র কারখানার মালিকদের অন্যতম বড় অভিযোগ ব্যাংকঋণ নিয়ে।

স্থানীয় উদ্যোক্তা মো. জাওয়াদ বলেন, ছোট কারখানার জন্য সহজ শর্তে সরকারি ঋণ বা ব্যাংকঋণ পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। ব্যবসায় মন্দা বা জরুরি আর্থিক সংকট দেখা দিলে অনেককে মহাজন বা ব্যক্তিগত উৎস থেকে অগ্রিম অর্থ নিতে হয়।

পরে উৎপাদন চালিয়ে সেই অর্থ পরিশোধ করতে হয়।

উদ্যোক্তাদের মতে, সহজ শর্তে কার্যকর মূলধন ও ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা করা গেলে এ শিল্পের উৎপাদন ও কর্মসংস্থান কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

গ্যাস না থাকায় নেই ওয়াশিং ও ডাইং

এই অঞ্চলের পোশাকশিল্পের বড় কাঠামোগত সমস্যা গ্যাসের সংকট।

সৈয়দপুরে পর্যাপ্ত গ্যাসসংযোগ না থাকায় এখনো বড় পরিসরে আধুনিক ওয়াশিং প্ল্যান্ট বা ডাইং কারখানা গড়ে ওঠেনি।

স্থানীয় কারিগর ও উদ্যোক্তারা বলছেন, উৎপাদিত পোশাক স্থানীয়ভাবে ওয়াশিং ও উন্নত ফিনিশিং করা গেলে পণ্যের মান ও বাজারমূল্য আরও বাড়ানো সম্ভব।

বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদনের পরবর্তী ধাপের কাজ অন্য এলাকায় করাতে হয় অথবা সীমিত সক্ষমতার মধ্যে কাজ শেষ করতে হয়।

তাঁদের মতে, গ্যাস ও প্রয়োজনীয় শিল্প অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে সৈয়দপুরের এই শিল্প শুধু দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের সাশ্রয়ী পোশাকের বাজারেই নয়, রপ্তানি বাজারেও আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

ইতিহাস, শ্রম ও সম্প্রীতির শিল্প

সৈয়দপুরের এই পোশাকশিল্পের রয়েছে দীর্ঘ সামাজিক ও ঐতিহাসিক পটভূমি।

স্থানীয় কারিগরদের অনেক পরিবারের পেশাগত শিকড় কয়েক প্রজন্ম ধরে দরজি ও পোশাক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। নওশাদ আলী ও মোহাম্মদ রুবেলের পরিবারও চার পুরুষ ধরে এই পেশায় রয়েছে বলে জানান তাঁরা।

তাঁদের ভাষ্য, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা এই দক্ষতাই সৈয়দপুরের পোশাকশিল্পকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

কারিগর মোহাম্মদ রুবেল বলেন, কারখানায় কাজের ক্ষেত্রে জাতিগত বা ভাষাগত পরিচয়ের চেয়ে দক্ষতা ও পারস্পরিক সহযোগিতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তাঁর মতে, সেলাই মেশিনের শব্দের সঙ্গে সৈয়দপুরে তৈরি হয়েছে শ্রম, ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির একটি নিজস্ব সংস্কৃতি।

সম্ভাবনা বড়, প্রয়োজন নীতিগত সহায়তা

গার্মেন্টস শিল্পের অবশিষ্ট কাপড় পুনর্ব্যবহার করে গড়ে ওঠা সৈয়দপুরের এই অর্থনীতি একদিকে পরিবেশবান্ধব, অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও সাশ্রয়ী পোশাকের বাজার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবে উদ্যোক্তাদের মতে, শিল্পটির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে সহজ শর্তে ঋণ, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, আধুনিক ওয়াশিং ও ডাইং অবকাঠামো এবং কাঁচামাল সংগ্রহের একটি সংগঠিত ব্যবস্থা প্রয়োজন।

নীতিগত সহায়তা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে দেশের পোশাকশিল্পের ঝুটকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই স্থানীয় উদ্যোগ আরও বড় আকারের পুনর্ব্যবহারভিত্তিক শিল্পে রূপ নিতে পারে।

সৈয়দপুরের অলিগলিতে তাই সেলাই মেশিনের অবিরাম শব্দ শুধু পোশাক তৈরির শব্দ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কয়েক প্রজন্মের দক্ষতা, কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান এবং উত্তরের একটি সম্ভাবনাময় অর্থনীতির গল্প।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

শিল্প ভিশন: বাংলাদেশের শিল্পায়ন, উৎপাদন, বাণিজ্য, রপ্তানি ও শিল্পনীতির সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য Industry Intelligence Hub হওয়া; যা নীতিনির্ধারক, শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা ভাষার প্রধান জ্ঞানভান্ডার ও রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের শিল্পখাত, উৎপাদন ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রপ্তানি-আমদানি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME), সরবরাহ শৃঙ্খল এবং শিল্পনীতিকে তথ্য, গবেষণা, ডেটা ও বৈশ্বিক তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে শিল্পোন্নয়ন, প্রতিযোগিতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে জ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা যায়।