নন্দিত অভিনেত্রী বিদ্যা বালান সর্বশেষ ২০২৪ সালে ‘ভুলভুলাইয়া-৩’ সিনেমায় দেখা মিলছিল। হঠাৎ নতুন করে আবার বিদ্যা আলোচনায় এলেন– সেও আবার ১৫ বছর আগে মুক্তি পাওয়া সিনেমার সূত্র ধরে।
সম্প্রতি তাঁর অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘দ্য ডার্টি পিকচার’র ১৫ বছরের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এ উপলক্ষে একটি পডকাস্টে অংশ নিয়েছিলেন প্রযোজক একতা কাপুর। সেখানে এই সিনেমার সিকুয়াল নির্মাণের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘অনেকদিন ধরে ‘দ্য ডার্টি পিকচার-২’ নির্মাণের পরিকল্পনা করছি। আমি যে বড় বাজেটের কাজগুলো করছি, তার মধ্যে এই সিনেমাটি অন্যতম। সিকুয়াল নির্মাণে এত সময় নেওয়ার কারণ, এ সিনেমার জন্য যেমন গল্প প্রয়োজন ছিল, তা হাতে ছিল না। এবার এমন একটা গল্প আছে, যা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলা যায়।’ একতা আরও জানিয়েছেন, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’র মতো এর দ্বিতীয় পর্বেও এক নারীর জীবনকে তুলে ধরা হবে। তবে সেই ভূমিকায় বিদ্যা থাকবেন কিনা–তা নিয়ে মুখ খোলেননি এই প্রযোজক। 
এ খবরের পাশাপাশি ইন্ডিয়া টাইমস, আজকাল, আনন্দবাজারসহ ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ সিনেমার সিকুয়াল নির্মাণের ঘোষণা আসার পর বিদ্যার অনুরাগীদের মধ্যে সাড়া পড়ে গেছে। যদিও সিকুয়ালে বিদ্যা থাকবেন কিনা, তা কেউ নিশ্চিত হতে পারেননি। তবে নতুন যে তথ্য তারা পেয়েছেন, সত্যি চমকে দেওয়ার মতো।
প্রথম খবর হলো, অভিনেত্রীর বহুল প্রশংসিত সিনেমা ‘পা’-এর নির্মাতা আর. বালকির সঙ্গে আবার কাজ করতে চলেছেন বিদ্যা। ১৭ বছর এই নির্মাতা ও অভিনেত্রী জুটি বেঁধেছেন একটি তামিল প্রজেক্টের জন্য।
২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘পা’ সিনেমায় তারা প্রথম একসঙ্গে কাজ করেছিলেন এবং সেই সিনেমায় অমিতাভ বচ্চনের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে বিদ্যা বালান পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাই বিদ্যা-বালকি জুটির এবারের কাজটিও প্রত্যাশামাফিক হবে–এমন অনুমান অনেকের।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।