আমিরের ‘অবৈধ সন্তান’ ও জেসিকা নিয়ে গুঞ্জন

Aug 20, 2025 - 17:27
Sep 4, 2026 - 02:42
 0  29
আমিরের ‘অবৈধ সন্তান’ ও জেসিকা নিয়ে গুঞ্জন

বলিউডের দাপুটে অভিনেতা আমির খান রিনা দত্তকে ভালোবেসে প্রথম বিয়ে করেন। এ সংসারে জুনায়েদ ও ইরা খান নামে দুটো সন্তান রয়েছে। 

রিনার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। এ সংসারে আজাদ খান নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে দুটো সংসারই ভেঙে গেছে তার। 

আমির খানের ছোট ভাই অভিনেতা ফয়সাল খান। আমির খানের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ আনছেন ফয়সাল খান। তার দাবি, আমির খানের একটি অবৈধ সন্তান রয়েছে। এ সন্তানের মা জেসিকা হাইনস। রিনা দত্তর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর জেসিকার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আমির। এ সম্পর্কে জন্ম নেয় একটি সন্তান।

আমির খানের কথিত সন্তানের মা জেসিকা হাইনসও ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ পরিচিত মুখ। জেসিকা যুক্তরাজ্যের একজন সাংবাদিক ও লেখক। নব্বই দশকের শেষের দিকে অমিতাভ বচ্চনের জীবনী লেখার জন্য ভারতে আসেন। সেই সময়ের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ‘গুলাম’ (১৯৯৮) সিনেমার শুটিংয়ের সময় আমির খানের সঙ্গে দেখা করেন জেসিকা।

২০০৫ সালে, স্টারডাস্ট ম্যাগাজিন একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে দাবি করা হয়, জেসিকা-আমির লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন। এ সম্পর্কে থাকাকালীন জেসিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। আমির তখন গর্ভপাত করানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু জেসিকা সন্তানের জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০০০ সালের শুরুতে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন জেসিকা। যার নাম রাখেন জান।

২০০৭ সালের দিকে জেসিকা তার জীবন নতুনভাবে গুছিয়ে নেন। লন্ডনভিত্তিক ব্যবসায়ী উইলিয়াম ট্যালবোটকে বিয়ে করেন তিনি। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেসিকা বলেছিলেন, অমিতাভ বচ্চনকে নিয়ে বই লেখার কাজের জন্য দীর্ঘ সময় ভারতে ছিলাম। তখন উইলিয়াম জানের খুব যত্ন করেছে। সে আমার পুত্রের প্রতি খুবই সহানুভূতিশীল।

আমির খান-জেসিকার কথিত পুত্রের আলোচনা কখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। জেসিকার পুত্র জানের কিছু ছবি নিয়ে ব্রিটিশ ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনেও ফিচার হয়েছে। তা ছড়িয়ে পড়ার পর চর্চা শুরু হয়। অনেকে জানের সঙ্গে আমির খানের চেহারার মিল রয়েছে বলেও মনে করেন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।