অমল বোসের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Jan 24, 2026 - 20:35
Sep 4, 2026 - 02:46
 0  24
অমল বোসের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিনোদন ডেস্ক 

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা অমল বোস (অমলেন্দু বিশ্বাস)। ষাটের দশকে মঞ্চ নাটকে পা রাখেন তিনি। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে নিয়মিত ছিলেন বেতার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপনে। তবে ইত্যাদির ‘নানা’ চরিত্রে পান তুমুল জনপ্রিয়তা, হয়ে ওঠেন সকল বয়সীর ‘নানা’।

ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে ‘নানা-নাতি’ কৌতুক নাটিকার মধ্য দিয়ে দৈনন্দিন জীবনের নানা অসঙ্গতির চিত্র তুলে ধরে বাংলাদেশের দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেন ‘নানা’ অমল বোস।

শুধু সংলাপ বলা বা অঙ্গভঙ্গিতেই সীমাবদ্ধ থাকতেন না, গভীরে ঢুকে জীবন্ত করে তুলতেন চরিত্র। পেশাগত জীবনে সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ অমল বোস ব্যক্তিজীবনেও ছিলেন স্নেহপ্রবণ। দুই জায়গাতেই ছিলেন সকলের প্রিয়।

পাড়ার মঞ্চে জাত চিনিয়ে ‘রাজা সন্ন্যাসী’ দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু। এরপর ‘নীল আকাশের নীচে’, 'বিয়ের ফুল’, 'মিলন হবে কত দিনে', ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’সহ অভিনয় করেছেন বহু চলচ্চিত্রে। পাশাপাশি নাম লেখান পরিচালনায়ও।

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে ‘আজকের প্রতিবাদ’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সবার প্রিয় এ অভিনেতা ২০১২ সালের ২৩ জানুয়ারি ৭৫ বছর বয়সেই পরলোকগমন করেন।

১৯৪৩ সালে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। অভিনয় পাগল এই মানুষটি ১৯৬৬ সালে ‘রাজা সন্যাসী’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। চলচ্চিত্র, মঞ্চ এবং টেলিভিশন সব মাধ্যমেই তিনি ছিলেন জনপ্রিয় এবং ভালোবাসার মানুষ।

‘কেন এমন হয়’ নামের একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছিলেন তিনি। জীবনভর শতাধিক বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা। ‘অবিচার’, ‘হঠাৎ বৃষ্টি’, ‘আমি সেই মেয়ে’, ‘তোমাকে চাই’, ‘মন মানে না’-এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।