‘পরিস্থিতি যেমনই হোক, বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহূর্তই একেকটি উপহার’ 

Sep 27, 2026 - 23:01
Sep 27, 2026 - 23:03
 0  3
‘পরিস্থিতি যেমনই হোক, বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহূর্তই একেকটি উপহার’ 

ক্যানসারের চিকিৎসা নেওয়া মডেল, অভিনয়শিল্পী ও উপস্থাপিকা সামিয়া আফরিন আজ রোববার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন। ‘জীবন সব সময় আমাদের ইচ্ছেমতো গল্প লেখে না, কিন্তু প্রতিটি অধ্যায়ের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে কোনো না কোনো সৌন্দর্য।’

কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যাওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। চিকিৎসার এক পর্যায়ে এসে মাথার চুল ফেলে দেন সামিয়া। ন্যাড়া মাথার ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘জীবনে কিছু কিছু বিষয় আমাদের পছন্দের নয়; কিন্তু মেনে নিতে হয়। কিছু পরিবর্তন আমাদের জন্য সহজ নয়, কিন্তু সেগুলোও আপন করে নিতে হয়। আর আমি সেটিই করছি—নিজের এই রূপ গ্রহণ করছি, মেনে নিচ্ছি এবং নিজের মতো করে আপন করে নিচ্ছি।’ 

সামিয়া আফরিন

সৌন্দর্য যে শুধু চেহারা বা চুলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সে কথাও উল্লেখ করেছেন সামিয়া। তাঁর ভাষায়, ‘চুল থাকুক বা না থাকুক, সৌন্দর্য শুধু আয়নায় দেখা যায় না। আসল সৌন্দর্য হলো নিজেকে নিজের মতো করে গ্রহণ করতে পারা।’

নিজের বর্তমান অবস্থাকে জীবনের কঠিন সময়ের একটি অধ্যায় হিসেবে দেখছেন সামিয়া আফরিন। আজ দেওয়া ফেসবুক পোস্টের শেষে সামিয়া লিখেছেন, ‘পরিস্থিতি যেমনই হোক, বেঁচে থাকার প্রতিটি মুহূর্তই একেকটি উপহার। জীবন সুন্দর—শুধু তাকে সুন্দর করে দেখার চোখটা আমাদের নিজের হতে হয়।’ এরপর লিখেছেন, ‘আমার জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আর ইনশা আল্লাহ, এই সময়টাও একদিন কেটে যাবে।’

সামিয়া আফরিন

প্রায় পাঁচ বছর ধরে ক্যানসারের চিকিৎসা নিচ্ছেন সামিয়া। ২০২২ সালের এপ্রিলের দিকে তাঁর কোলন ক্যানসার শনাক্ত হয়। সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ চিকিৎসার পর শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছিলেন তিনি। তবে এ বছর আবার তাঁর শরীরে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার শনাক্ত হয়। এবার ওভারিয়ান বা ডিম্বাশয়ের ক্যানসার ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে কেমোথেরাপি নিচ্ছেন সামিয়া।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।