‘তুমি ওজন কমাও, আমরা কিছু একটা করব’

Sep 27, 2026 - 00:29
 0  5
‘তুমি ওজন কমাও, আমরা কিছু একটা করব’

বলিউড ও টেলিভিশনের অন্যতম চর্চিত অভিনেত্রী অঞ্জলি আনন্দ। কিছুদিন আগে ‘ধামাল ৪’ সিনেমা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। স্থূলকায় হওয়ার কারণে তাকে নিয়ে আলাদা চর্চা দেখা গিয়েছিল। ঠিক একই কারণে বলিউডে সুযোগ পেতেও অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল অঞ্জলিকে। কাস্টিং ডিরেক্টররা তাকে বলতেন, ওজন কমাতে। তবেই সিনেমায় কাজ মিলবে।

সম্প্রতি অঞ্জলির মুম্বাইয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন নির্মাতা ও কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান। সেখানেই অঞ্জলি তার সিনেমায় আসার গল্পের খানিকটা শুনিয়েছেন।

করন জোহরের ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’র মতো ব্লকবাস্টার সিনেমা দিয়ে অভিষেক হয়েছে অঞ্জলির। কিন্তু কিভাবে সুযোগটা মিলল? সেই কঠিন সময়টা মনে করে অঞ্জলি বলেন, ‘২০২০ সালে আমি জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। ভারত ছেড়ে দেওয়া, এমনকি অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভাবছিলাম। কারণ কোনো কাজই পাচ্ছিলাম না আমি। তখন লকডাউন চলছিল, আর আমার জমানো টাকাও শেষ হয়ে গিয়েছিল।’

এরপর কাস্টিং ডিরেক্টর শানু শর্মার কাছ থেকে ফোন পান অঞ্জলি। যিনি তাকে আগেও বিভিন্ন কাজের জন্য ওজন কমানোর কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেটা করতে পারেননি বিধায় অঞ্জলিও কাজ পাননি। অঞ্জলি জানান, তিনি তখন বন্ধুদের সঙ্গে গোয়া ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই শানুর মেসেজ পান, ‘তুমি ওজন কমাও, আমরা কিছু একটা করব’। 

এরপরই মূলত করণ জোহরের সিনেমাটির জন্য অডিশন দেন অঞ্জলি। তার ছবি ও অডিশন দেখে নির্মাতা মুগ্ধ হন এবং তাকে কাস্ট করেন। এভাবেই শুরু হয় অঞ্জলির সিনেমাযাত্রা। সিনেমাটি অবশ্য মুক্তি পায় ২০২৩ সালে।

এর আগেই ২০২১ সালের ‘বেল বটম’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অঞ্জলি। তবে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কোনো চরিত্র পাননি, এমনকি তার নামও উল্লেখ করা হয়নি সিনেমায়।

সিনেমায় আসার আগে ২০১৭ সালে ‘ঢাই কিলো প্রেম’ ও ‘উনতাগ’-এর মতো টেলিভিশন শোতে অভিনয় করেছিলেন অঞ্জলি। ২০১৮ সালে তাকে দেখা যায় ‘কুলফি কুমার বাজেওয়ালা’ ধারাবাহিকে। এ ছাড়া ‘ফিয়ার ফ্যাক্টর: খতরোঁ কে খিলাড়ি ১৩’ ও ‘ঝলক দিখলা জা ১১’-এর প্রতিযোগীও ছিলেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।