‘আমার পূজার সব প্ল্যানেই থাকে বনি’ কৌশানি

Sep 27, 2026 - 11:44
 0  3
‘আমার পূজার সব প্ল্যানেই থাকে বনি’ কৌশানি

ঘনিয়ে আসছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম উৎসব দুর্গাপূজা। সেই উৎসবের আগমনী বাতাস যেন বইতে শুরু করেছে। পূজা মানেই আনন্দ আর অসংখ্য স্মৃতির হাতছানি। শৈশব-কৈশোরের পূজার স্মৃতি মনে রেখে বড়বেলায়ও আনন্দে মেতে ওঠে মানুষ।

এবারের দুর্গাপূজায় আরও একটি বাড়তি উৎসব যোগ হচ্ছে অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জির। পূজায় মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী : দ্য গোল্ডেন ডাকু’। এ মুহূর্তে জোরেশোরে চলছে প্রচার। সপ্তমী পর্যন্ত অভিনেত্রী সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন। এরপর পরিবার নিয়ে পূজায় আমেজে মেতে উঠবেন।

অভিনেত্রী হওয়ার আগে তার পূজা কেমন ছিল? একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'তখন দড়ির ওপারে থাকতাম। মানে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখতাম। আর পূজার বিশেষ স্মৃতি বললেই, প্রেমের কথা মাথায় আসে। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে যখন পূজার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হতো, প্রচুর ছেলে এসে ঝাড়ি মারত। সেখানে হঠাৎ করে আমাকে পছন্দ করে নেওয়া, আর সেখান থেকে প্রতিযোগিতায় জেতা।'

কৌশানী বলেন, ‘পূজার সেরা সুন্দরী’ তকমাটাই তখন আমার কাছে বিশাল ব্যাপার ছিল। মানে, ঘুরতে বেরিয়ে পুরস্কার জিতে বাড়িতে ফিরছি— এটাই তো দারুণ ব্যাপার।' তিনি বলেন, আমার ভাইবোনেরা আবার সেটা সেলিব্রেট করত। গর্ব করে ওরা বলত— ‘আমাদের বোন এত সুন্দরী।'

সেই সময় নিশ্চয়ই পূজার প্যান্ডেলে প্রেমটা হতো? এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন,  ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই! পূজার কটা দিনের প্রেম, এ বিষয়টি দারুণ মজা লাগত। আবার সেই প্রেম পূজার কটা দিনই টিকে থাকত। তারপর ভেঙে যেত।’

এবারের পূজায় প্রেমিক অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে কেমন পরিকল্পনা থাকছে? উত্তরে কৌশানি মুখার্জি বলেন, ‘আমার পূজার সব প্ল্যানেই থাকে বনি।' তিনি বলেন, একসঙ্গে ঠাকুর দেখা, একসঙ্গে রোম্যান্স করা, হইহই করে পার্টি করা—সবই বনির সঙ্গে। 

অভিনেত্রী বলেন, এই কদিন আমার দিনযাপনের সাইকেল পুরো চেঞ্জ হয়ে যায়। দেখা গেছে— পূজার কয়েকটা দিন বের হচ্ছি হয়তো দুপুরে, আর বাড়ি ফিরছি ভোরে! বাকি সকালটা ঘুমাচ্ছি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।