ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে ১০০ গোলের অবদান রাখা প্রথম ফুটবলার হলেন এমবাপ্পে

Jul 10, 2026 - 19:53
 0  14
ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে ১০০ গোলের অবদান রাখা প্রথম ফুটবলার হলেন এমবাপ্পে

সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপের ফাইনালিস্ট ফ্রান্স দারুণ ছন্দময় ফুটবলে এবার অ্যাটলাস লায়ন–খ্যাত মরক্কোকে বিদায় করে দিয়েছে। ২-০ গোলে জিতে তারা সবার আগে উঠেছে চলতি আসরের সেমিফাইনালে। যেখানে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলে একটি করে গোল করেছেন। আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির সমান ৮টি গোল করলেও, অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে গেলেন এমবাপ্পে।

প্রথমার্ধে পেনাল্টি পেয়েছিল ফ্রান্স। স্পটকিকে নেওয়া এমবাপ্পের দুর্বল শটটি ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো।ফ্রান্সের হয়ে টানা ১৫টি পেনাল্টি সফলভাবে রূপান্তর করার পর এবার প্রথমবার ব্যর্থ হলেন এমবাপ্পে। এর আগে সর্বশেষ ফ্রান্সের জার্সিতে তার পেনাল্টি মিস ছিল ইউরো ২০২০-এ সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে টাইব্রেকারে।

 গত ৬০ বছরে বিশ্বকাপের এক ম্যাচে গোল করা, অ্যাসিস্ট করা এবং পেনাল্টি মিস করার ঘটনা ঘটেছে মাত্র চারবার। এর মধ্যে শেষ তিন দিনের মধ্যেই ঘটেছে দুটি, মিশরের বিপক্ষে লিওনেল মেসি এবং মরক্কোর বিপক্ষে কিলিয়ান এমবাপ্পে।

টানা তৃতীয় বিশ্বকাপের (২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬) সেমিফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। ইতিহাসে জার্মানি (২০০২-২০১৪ পর্যন্ত টানা চারবার এবং ১৯৮২-১৯৯০ পর্যন্ত টানা তিনবার) ও ব্রাজিলের (১৯৯৪-২০০২ পর্যন্ত টানা তিনবার) পর তৃতীয় দল হিসেবে এই কীর্তি গড়ল তারা।এটি ফ্রান্সের অষ্টম বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, যা ব্রাজিলের সমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। তাদের ওপরে রয়েছে শুধু জার্মানি (১২)।


এই বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ৮। অ্যাসিস্টে এগিয়ে থাকায় (এমবাপে ৩, মেসি ১) তিনি আবারও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসিকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠে গেছেন।বিশ্বকাপে এমবাপ্পে এখন পর্যন্ত ৮টি ম্যাচের জয়সূচক গোল করেছেন, যা ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ।


ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে ১০০ গোলের অবদান রাখা প্রথম ফুটবলার হলেন এমবাপ্পে। এখন পর্যন্ত তার অবদান ১০১টি, এর মধ্যে ৬৪ গোল ও ৩৭ অ্যাসিস্ট।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।