এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণে পরিবর্তন হওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য আবারও সুযোগ দিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ও রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা পর্যন্ত ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করা যাবে। একই সময়ের মধ্যে আগে আবেদন করা শিক্ষার্থীরাও নিজেদের পছন্দক্রম পরিবর্তন বা আবেদন পরিমার্জন করতে পারবেন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের পর যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে, তাদের সংশোধিত ফল একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদনের পোর্টালে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব শিক্ষার্থী আগে আবেদন না করে থাকলে নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। আর যারা এরই মধ্যে আবেদন করেছেন, তারা নিজেদের আবেদন পরিমার্জনের সুযোগ পাবেন।
এ ছাড়া গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীরাও ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আবেদন করতে পারবেন।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন পুরোপুরি অনলাইনে করা হচ্ছে। আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ভর্তি পোর্টালে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে পছন্দের কলেজ নির্বাচন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইন আবেদনের জন্য নির্ধারিত ফি ২২০ টাকা। শনিবার ও রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদনকারীরা তাদের পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবেন।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
পছন্দক্রম অনুযায়ী মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম চলবে। আর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির ক্লাস।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র (টিসি) ইস্যু বা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে।