বেতন নিয়ে মাউশির নির্দেশনা

Jan 25, 2026 - 23:55
Jul 9, 2026 - 05:59
 0  13
বেতন নিয়ে মাউশির নির্দেশনা

বিনা ডেস্ক 

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চলতি জানুয়ারি মাসের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থায় পাঠানোর লক্ষ্যে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়, মাউশি অধিদপ্তরাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত জনবলের এমপিও অর্থ ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ইএফটি ব্যবস্থায় প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। জুলাই-২০২৫ পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে সরাসরি এমপিও অর্থ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আগস্ট-২০২৫ থেকে প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক অনলাইনে বিল সাবমিট করার ব্যবস্থা চালু করা হয়।

এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও কার্যক্রমে ব্যবহৃত আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ইএমআইএস (EMIS) সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বিল সাবমিট করতে হবে। প্রতিটি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য বিধিমোতাবেক প্রাপ্য এমপিও অর্থ নির্ধারণ করে পৃথকভাবে বিল দাখিল করতে হবে। প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতেই ইএফটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানো হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কোনো শিক্ষক-কর্মচারী মৃত্যুবরণ, পদত্যাগ, সাময়িক বরখাস্ত বা অনুমোদনহীন অনুপস্থিতির কারণে আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ বেতন কর্তনের প্রয়োজন হলে তা বিল সাবমিটের সময় যথাযথভাবে উল্লেখ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মাসে বিধিমোতাবেক প্রাপ্যতা নির্ধারণ করেই বিল দাখিল করতে হবে। ইএফটির মাধ্যমে এমপিও অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দাখিলকৃত তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে বেতন প্রেরণে জটিলতা বা অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হলে এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে বহন করতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।