প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে সালমান খান

Sep 2, 2025 - 12:09
Sep 4, 2026 - 02:41
 0  29
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের  বাসভবনে সালমান খান
বিনোদন ডেস্ক 
ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মন্ত্রীর বাসভবনে গেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান।  
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। 
মন্ত্রী ও অভিনেতার হঠাৎ এই সাক্ষাতের খবরে সিনেদুনিয়ায় শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। কেনই বা রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভাইজান?
ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে লেহ-লাদাখে শুরু হচ্ছে সালমান অভিনীত ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’ ছবির শুটিং। সিনেমার বেশ কয়েকটি দৃশ্যের জন্য প্রতিরক্ষামন্ত্রকের অনুমতি প্রয়োজন। সেই সূত্রেই সরাসরি রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন অভিনেতা।
২০২০ সালের ভারত-চীন সংঘাতের ঘটনাকে ঘিরেই নির্মিত হচ্ছে এই সিনেমা। কর্নেল বিকুমল্লা সন্তোষ বাবুর চরিত্রে অভিনয় করবেন সালমান খান। চরিত্রের জন্য মাস দুয়েক ধরেই বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। নিত্যদিন কঠোর অনুশীলনের পাশাপাশি প্রেশার চেম্বারেও ঘাম ঝরাচ্ছেন ভাইজান। এর আগে আগস্টে ছবির কিছু প্রাথমিক দৃশ্যের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। তবে মূল অ্যাকশন সিকোয়েন্সগুলো ধারণ হবে লেহ-লাদাখেই। আর সেজন্যই কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিশেষ ছাড়পত্র প্রয়োজন ছিল।
সম্প্রতি সিনেমাটির টিজার পোস্টার শেয়ার করে আলোচনায় আসেন সালমান। সেখানে তাকে দেখা যায় সেনার পোশাকে, চোখে প্রতিশোধের আগুন আর রক্তাক্ত চেহারায়। দীর্ঘদিন বাদে ‘দাবাং’ অবতারে ভাইজানকে দেখে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে ভক্তদের মাঝে।
‘ব্যাটেল অফ গালওয়ান’ পরিচালনা করছেন ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’-খ্যাত অপূর্ব লাখিয়া। সালমানের বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শক-অনুরাগীদের মধ্যে তুমুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। অনেকের ভবিষ্যদ্বাণী, মুক্তির পর এটি ৫০০ কোটির ব্যবসা করবেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।