দীর্ঘ বিরতির পর রূপালি পর্দায় ফিরছেন চিত্রনায়ক আমিন খান

Aug 3, 2026 - 20:49
Sep 4, 2026 - 02:14
 0  10
দীর্ঘ বিরতির পর রূপালি পর্দায় ফিরছেন চিত্রনায়ক আমিন খান

আট বছর পর আবারও রূপালি পর্দায় ফিরছেন চিত্রনায়ক আমিন খান। প্রযোজক ও নির্মাতা এমডি ইকবালের তারকাবহুল সিনেমা ‘গুলশানের চামিলি’ দিয়ে নতুনভাবে ফিরে আসছেন তিনি।

শনিবার (০১ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নির্মাতা সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের নাম ঘোষণা করেন। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে বলেন, অনেক দিন পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পেরে ভালো লাগছে।

দীর্ঘ বিরতি থাকলেও এবার গল্প ও চরিত্রের প্রতি আগ্রহ থেকেই সিনেমাটিতে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ এর মধ্যে অনেকগুলো কাজের সুযোগ এলেও ব্যাটে বলে মিলছিল না। এবারের গল্পটি আমার চমৎকার লেগেছে। 

তিনি আরও বলেন, ‘এই সিনেমায় যারা অভিনয় করছেন, প্রতিটি আর্টিস্টিই গুণী। তাই ইকবাল গল্পটি বলতেই রাজি হয়ে গেছি। আসালে আমি তাদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি।’

রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে ‘গুলশানের চামেলি’। গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এক যৌনকর্মী, যিনি কোনো অপরাধ না করেও বারবার ক্ষমতার নির্মম শিকার হন।

সিনেমাটিতে আমিন খানের পাশাপাশি অভিনয় করবেন কলকাতার অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার, রোজিনা, আজমেরী হক বাঁধন, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, আশীষ খন্দকার ও মুকিত জাকারিয়াসহ আরও অনেকে। আগামী নভেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে বলে জানা গেছে।

সর্বপরি, চলচ্চিত্রে তিন দশকের ক্যারিয়ার আমিন খানের। অভিষেক হয়েছিল ১৯৯৩ সালে মোহাম্মদ হোসেনের ‘অবুঝ দুটি মন’ চলচ্চিত্রে। এরপর উপহার দিয়েছেন জনপ্রিয় অনেক সিনেমা। ২০১০ সাল থেকে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। ২০১৮ সালের পর গত বছর সাদেক সিদ্দিকীর ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় ফেরেন তিনি। তবে এই সিনেমার শুটিং করেছিলেন ২০১৮-১৯ সালে। অবশেষে ‘গুলশানের চামেলি’ দিয়ে আবার যুক্ত হলেন নতুন সিনেমায়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।