প্রচলিত রীতির গণ্ডি পেরিয়ে ,  গয়না ছাড়াই বিয়ে পিরিতে 

Jul 12, 2026 - 12:03
 0  4
প্রচলিত রীতির গণ্ডি পেরিয়ে ,  গয়না ছাড়াই বিয়ে পিরিতে 
সোনা-হীরা কিংবা কোনো ধরনের গয়না ছাড়াই বিয়ের কনে সেজে নজর কেড়েছেন তিনি।সোনার দাম যতই বাড়ুক, বিয়ের সাজে সোনা, হীরা কিংবা দামি গয়নার কদর এখনো কমেনি। অনেকের কাছেই বিয়ের কনের সাজ মানেই জমকালো অলঙ্কার।
 
তবে সেই প্রচলিত ধারণাকে পাশ কাটিয়ে ভারতের কেরালার ডিজিটাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ইলাস্ট্রেটর এবং ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হর্ষা পাঠু দেখালেন ভিন্ন এক দৃষ্টান্ত। সম্প্রতি নাজিম মহম্মদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন হর্ষা। বিয়ের পর নিজের সাজের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি।
 
সেখানে দেখা যায়, তার কনের সাজে ছিল না কোনো সোনার গয়না। এমনকি কানের দুলও পরেননি তিনি।
সাধারণত মিনিমাল সাজেও কনেরা ছোট ঝুমকা, চোকার, মাংটিকা কিংবা অন্য কোনো অলঙ্কার ব্যবহার করেন। কিন্তু হর্ষা এসবের কোনোটিই বেছে নেননি।সম্পূর্ণ গয়নাবিহীন থেকেই নিজের বিয়ের সাজ সম্পন্ন করেছেন তিনি।
 শুধু গয়নাই নয়, মেকআপের ক্ষেত্রেও হর্ষা রেখেছেন সরলতার ছোঁয়া। ভারী মেকআপের পরিবর্তে ন্যাচারাল বা নো-মেকআপ লুককে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি। তার সাজে ফুটে উঠেছে স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাস।বিয়ের দিনে হর্ষা পরেছিলেন মেরুন ভেলভেটের শাড়ি। এর সঙ্গে ছিল একই রঙের ফুলহাতা ব্লাউজ ও মেরুন নেটের ওড়না। পুরো সাজে  ছিল মোনোক্রম লুকের ছোঁয়া, যা তাকে দিয়েছে এক ভিন্নধর্মী উপস্থিতি।
 
হর্ষার দেখিয়েছেন গহনা ছাড়া বিয়ে কিরা যায় , শুধু ভালোবাসার বন্ধনের মাধ্যমে । এই ব্যতিক্রমী বিয়ের সাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছে। তার এই লুক আবারো দেখিয়েছে, কনের সৌন্দর্য শুধু গয়নার ওপর নির্ভর করে না; নিজের পছন্দ, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব দিয়েও বিয়ের দিনে আলাদা করে নজর কাড়া যায়

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।