পাকিস্তান ক্রিকেট যেন কোচ বদলের কারখানা

Sep 4, 2026 - 10:53
 0  8
পাকিস্তান ক্রিকেট যেন কোচ বদলের কারখানা

কথায় আছে নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা। একটু ঘুরিয়ে দেখলে বিষয়টি যেন কিছুটা মিলে যায় পাকিস্থান ক্রিকেট দলের সাথে। খেলোয়াড়দের ব্যার্থতায় পরিবর্তন করা হয় কোচ কত পাঁচ বছরে এমনটি লক্ষ্য করা যায়।

সাম্প্রতিক ঘটনা তো সবারই জানা। ইংল্যান্ডের মাটিতে তিন টেস্টের সিরিজে এরই মধ্যে ২-০ ব্যবধানে হেরে বসেছে পাকিস্তান। এজবাস্টনের শেষ টেস্টের আগে সাত খেলোয়াড়কে দল থেকে বাদ দিয়েছে পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্কে ধারনা থাকলে বিষয়টি আসলে অজানা কিছু নয় এটা তাদের একটি প্রচলিত নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে।

হুটহাট দল কিংবা ম্যানেজমেন্ট থেকে এক বা একাধিক মানুষের ‘চেয়ার’ সরিয়ে নেওয়া তাদের বহু বছরের অভ্যাস। তবে অতটা পেছনে না তাকালেও চলে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর উদাহরণই দেওয়া যায়। সেটা ব্যবস্থাপনা বা কোচিং পর্ষদ নিয়ে।

কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্টে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরপরই রদবদল ঘটে কোচিংয়ে। আগের কোচিং স্টাফ নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় পাওয়ার আগেই শুরু হয় নতুন কোচের অধ্যায়। গত পাঁচ বছরের বেশির ভাগ সময় এই ধারা চলেছে পাকিস্তান ক্রিকেটে। বদল হয়েছেন ১১ জন কোচ। এ সময়ে খুব কমসংখ্যক কোচই তাঁদের মেয়াদ শেষ করতে পেরেছেন।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মিসবাহ-উল-হক প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়ার পর একের পর এক স্থায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন এবং বিভিন্ন সংস্করণে আলাদা কোচ নিয়োগ দিয়েছে পাকিস্তান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।