নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন উপস্থিতিতে বিশেষ ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিলেন,রাবির কর্তিপক্ষ

Jul 18, 2026 - 19:07
Jul 18, 2026 - 19:07
 0  12
নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন উপস্থিতিতে বিশেষ ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিলেন,রাবির কর্তিপক্ষ

মাতৃত্বকালীন সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণে উপস্থিতির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীরা মাত্র ৪০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।


গত বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ২৬৯তম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ,জানা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাকসুর (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) মহিলা বিভাগের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি আলোচনার জন্য পূর্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে প্রস্তাবটি পাস করা হয়। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এই সুপারিশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের আগামী সভায় উপস্থাপন করা হবে। 

রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়্যিদা হাফসা বলেন, আমরা মহিলা বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এই দাবি জানিয়েছিলাম। দাবির প্রেক্ষিতে গঠিত কমিটিতে আমিও সদস্য হিসেবে ছিলাম। প্রথমে ৫০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে এমন সিদ্ধান্ত হলেও, পরবর্তীতে আরেকটি মিটিংয়ে আমরা এটি আরও কমিয়ে আনার আবেদন জানাই। পরে তা ৪০ শতাংশে নির্ধারণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর এস এম কামরুজ্জামান বলেন, মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে উপস্থিতির হার কমানোর বিষয়ে আগে থেকেই একটি কমিটি গঠন করা ছিল। বুধবার অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এটি পাস হয়েছে। এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে,বলে জানাই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।