নতুন এআই মডেলের ঘোষণা দিল গুগল
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মানোন্নয়নে আরেক ধাপ নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে গুগল। আর এমন লক্ষ্য পূরণে গুগল উন্মোচন করেছে জেমিনির ৩.৭ ফ্ল্যাশ মডেল।
ওয়ার্কহর্স মডেল
প্রধানত এটি একটি ওয়ার্কহর্স মডেল, বিশেষ করে কোডিং, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ছাড়াও বেশ কিছু জটিল কাজের সহজ সমাধান দেবে এটি। সংস্থাটি
বলছে, নতুন উদ্ভাবিত এই মডেল আগের জেমিনি ৩.৬ ফ্ল্যাশ মডেলের থেকে অনেকটা এগিয়ে কার্যসম্পাদন করতে পারে।
কর্মদক্ষতায় নতুনত্ব
মডেল ৩.৭ ফ্ল্যাশের অন্যতম বড় পরিবর্তন হলো জটিল কাজকে কয়েকটি ধাপে ভেঙে তা সম্পূর্ণ করে। ব্যবহৃত কোনো সফটওয়্যারে সমস্যা হলে তা খুঁজে বের করা, ডিবাগ করা ও যথাযথ কোড তৈরি করার ক্ষেত্রে মডেলটি আগের তুলনায় নির্ভরযোগ্য কাজ করবে বলে জানানো হয়। যে কোনো কাজ সম্পাদনে প্রদেয় কমান্ড নিখুঁত করে বোঝা ও কাজের মধ্যখানে কোনো সমস্যা হলে তা নিজে থেকেই বদলে নিতে পারবে।
ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রেও মডেলটি নিশ্চয়তা দেবে। ছবি, নির্দিষ্ট ডিজাইন বা স্ক্রিনশট দেখে অনেকটা তার কাছাকাছি বৈশিষ্ট্যের ওয়েবসাইট তৈরি করে
দেবে এ মডেল।
স্বয়ংক্রিয় নির্ধারক
সাধারণত যে কোনো চ্যাটবট শুধু প্রশ্নের সদুত্তর দেয়। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এজেন্ট কোনো কাজ শেষ করার জন্য কয়েকটি ধাপে পরিকল্পনা করতে ও যথার্থ টুল ব্যবহার করতে পারে। মডেল
৩.৭ ফ্ল্যাশকে সেই ধরনের কাজের জন্যই বিশেষ পারদর্শী করে তৈরি করা হয়েছে। গুগল বলছে, মডেলটি কাজের প্রয়োজন বুঝে নিজে থেকেই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ করতে পারে। সংস্থাটির স্পার্ক সংস্করণে এই মডেল ব্যবহার করা হয়েছে। এটি গুগল ওয়ার্কস্পেসের কয়েকটি টুল ব্যবহার করে ইমেইল তৈরি ও স্ট্যাটাস ডকুমেন্ট আপডেট করার মতো কাজ করতে পারবে।
সুবিধা নিতে পারবেন যারা
আগ্রহীরা জেমিনি এপিআই, গুগল এআই স্টুডিও, অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও এবং গুগল অ্যান্টিগ্রাভিটির মাধ্যমে এ মডেল ব্যবহারের সুবিধা নিতে পারবেন। আগামীতে সংস্থাটি নিজেদের এআই মডেলকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে গবেষণা করবে।
What's Your Reaction?