দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

Dec 27, 2025 - 11:42
 0  19
দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

বিনা ডেস্ক 

বাড়ছে শীতের তীব্রতা। চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও কমে নামতে পারে ৫ ডিগ্রিতে। এতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমকে এমন তথ্য জানায় আবহাওয়া অফিস। 

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পাঁচ দিন দেশের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। দেশে শীতের দাপট হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব। এই বলয়ের প্রভাবে দেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এই বলয়ের বর্ধিতাংশ এখন পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। 

আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডা অনুভূতি বাড়তে পারে। 

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। 

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। 

আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এ কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

গত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা যশোরে ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শৈত্যপ্রবাহ বইতে থাকায় জনদুর্ভোগ বেড়ে গেছে। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় খেটে-খাওয়া মানুষ এবং প্রাণীকূল শীতে কষ্ট পাচ্ছে। 

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, দেশের কোথাও শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও তাপমাত্রা কমে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এ অবস্থা আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। এরপর নতুন বছরের শুরুতেই শীত আরো তীব্র আকারে জেঁকে বসতে পারে। তবে এ মুহূর্তে শৈত্যপ্রবাহের কোনো পূর্বাভাস নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow