ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ফেল, প্রধান শিক্ষকদের নোটিশ 

Aug 12, 2026 - 18:17
Aug 12, 2026 - 18:17
 0  8
ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ফেল, প্রধান শিক্ষকদের নোটিশ 

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জেলা শিক্ষা অফিস।

গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার।

জানা যায়, এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় মোট ১৭ হাজার ৬৮৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৮৮৬ জন। জেলায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৯০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৬৪ জন। 
এবার জেলার পাঁচটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চারজন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। একই উপজেলার অনভারডিঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাতজন পরীক্ষার্থীর কেউ পাস করতে পারেনি।

এ ছাড়া মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাঁচজন করে শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অন্যদিকে হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার বলেন, পাঁচটি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে ফল বিপর্যয়ের কারণ লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়গুলোর ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ফিচার Vision: বাংলা ভাষায় গভীর অনুসন্ধান, দীর্ঘ আকারের সাংবাদিকতা, মানবিক গল্প এবং বিশ্লেষণধর্মী বর্ণনামূলক প্রতিবেদনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিশ্বাসযোগ্য Narrative Journalism Platform হওয়া; যা সময়, সমাজ এবং মানুষের পরিবর্তনের একটি স্থায়ী জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: সমসাময়িক ঘটনা, ব্যক্তি, সমাজ, সংস্কৃতি, ধারণা এবং পরিবর্তনকে গভীর গবেষণা, অনুসন্ধান, সাক্ষাৎকার, তথ্য, ইতিহাস এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক কেবল ঘটনা জানতে না পারেন, বরং সেই ঘটনার মানবিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক তাৎপর্যও উপলব্ধি করতে পারেন।