জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার  জবানবন্দি আজ

Oct 6, 2026 - 08:55
Oct 6, 2026 - 08:56
 0  1
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার  জবানবন্দি আজ

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আজ অবশিষ্ট সাক্ষ্য দেবেন মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার এই জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওই দিন তিনি আংশিক জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে অবশিষ্ট জবানবন্দির জন্য ৪ অক্টোবর দিন ধার্য থাকলেও তা পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করেন আদালত। 


প্রসিকিউশনের দাবি, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ হলে মামলাটি যুক্তিতর্ক পর্যায়ে পৌঁছাবে; তবে আসামিপক্ষ চাইলে সাফাই সাক্ষী উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর এ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দকারী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। একই দিনে মামলার ১৩তম সাক্ষী এবং সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা সম্পন্ন হয়।
 
এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে দাখিল করা ফরমাল চার্জ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-১। পরবর্তীতে ২৩ ডিসেম্বর তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয় ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।