জামানত ছাড়াই ১০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা : অর্থমন্ত্রী

Jul 12, 2026 - 16:51
 0  8
জামানত ছাড়াই ১০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা : অর্থমন্ত্রী
ছবি :সংগৃহীত

নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ১০ লাখ টাকা এবং জামানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (১২ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২৩তম কার্যদিবসে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহবুবুল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।


অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, তরুণদের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের তহবিলের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।


এ তহবিল হতে নতুন উদ্যোক্তারা বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা এবং জামানত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, স্টার্ট আপ উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রাপ্তি সহজীকরণের লক্ষ্যে স্টার্ট আপ ফান্ড নামে ৫০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল প্রবর্তন করা হয়েছে। এ তহবিল হতে উদ্যোক্তাগণ মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়াও, স্টার্ট-আপ খাতের অনুকূলে ঋণ সুবিধার পাশাপাশি ইক্যুইটি সহায়তার সুযোগ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকেরর উদ্যোগে ৩৯টি তফসিলি ব্যাংকের অংশীদারিত্বে ‘বাংলাদেশ স্টার্ট-আপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি, পিএলসি’ নামক ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি গঠন করা হয়েছে।


স্টার্ট-আপ উদ্যোগসমূহ উক্ত কোম্পানি হতে ইক্যুইটি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবে।


 
মন্ত্রী আরো জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত/বাস্তব অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, শিক্ষিত/অর্ধ শিক্ষিত বেকার যুবক ও যুবনারীদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে কর্মসংস্থান ব্যাংকের মাধ্যমে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোগে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যে ১০০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গত ১৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে ১২০০ কোটি টাকার নতুন একটি তহবিল গঠন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।